Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বর্তমান’-এর খবরের জের, জাতীয় সড়কে ট্রাক থামিয়ে টাকা তোলা বন্ধ

‘বর্তমান’ পত্রিকার খবরের জের। মালদহের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাক থামিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের টাকা তোলা বন্ধ হল। এমনটাই জানিয়েছেন ট্রাকমালিকরা।

‘বর্তমান’-এর খবরের জের, জাতীয় সড়কে ট্রাক থামিয়ে টাকা তোলা বন্ধ
  • ১৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: ‘বর্তমান’ পত্রিকার খবরের জের। মালদহের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাক থামিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের টাকা তোলা বন্ধ হল। এমনটাই জানিয়েছেন ট্রাকমালিকরা। তবে, জাতীয় সড়কের উপরে থাকা পুলিশের ব্যারিকেড এখনও তোলা হয়নি। ট্রাকমালিকরা জানান, এবিষয়ে প্রয়োজনে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাবেন।

Advertisement

মালদহ মাল্টি এক্সেল ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৌম্যপ্রসাদ বসু বলেন, আগে সন্ধে হলেই জাতীয় সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে সিভিক ভলান্টিয়াররা টাকা তুলত। সেটা এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু জাতীয় সড়কের উপর থাকা ব্যারিকেড সরানো হয়নি। মালদহের বৈষ্ণবনগর থেকে গাজোল থানার চেকপোস্ট পর্যন্ত জাতীয় সড়কের ৭৯ কিমির মধ্যে ৪০টি জায়গায় এধরনের ব্যারিকেড আছে। পুলিশের দাবি, মূলত দুর্ঘটনা রুখতেই এই ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।
 সৌম্যপ্রসাদবাবু বলেন, আমরা পুলিশের উপরে ভরসা রেখেছি। প্রয়োজনে জাতীয় সড়ক থেকে ব্যারিকেড সরানোর বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানো হবে। পুলিশ সূত্রে খবর, খুব তাড়াতাড়ি পাঁচ জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে রাজ্যের এডিজি (ট্রাফিক) বৈঠকে বসতে চলেছেন। সেখানে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষেরও থাকার কথা। সেখানেই জাতীয় সড়কের উপর থেকে ব্যারিকেড সরানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। 
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের মালদহ ডিভিশনের তরফে মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর, মালদহ, রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর পুলিশ জেলার এসপিদের কাছে ব্যারিকেড সরানোর বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। খোদ মালদহ ডিভিশনের প্রকল্প আধিকারিক এই পাঁচ পুলিশ জেলার সুপারকে চিঠি লিখে বিষয়টি জানান।
ব্যারিকেড ইস্যুতে পুলিশের যুক্তি, দুর্ঘটনা রুখতেই এই ব্যবস্থা। তবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ যদি দুর্ঘটনা রোধে বিকল্প কোনো উপায় বের করতে পারে, তাহলে ব্যারিকেড সরাতে আপত্তি নেই। জাতীয় সড়কে কোনো স্পিডব্রেকার বসানোর নিয়ম নেই। সেক্ষেত্রে একমাত্র উপায় হল, জাতীয় সড়কের প্রতিটি জনবহুল এলাকার মুখে সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু করা। শেষ পর্যন্ত এবিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটাই এখন দেখার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ