Bartaman Logo
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চোরাই সোনার কারবার! গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে পুলিশের ফাঁদে দুই

পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে চলছিল চোরাই সোনার কারবার। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বারুইপুর থানায় এস আই শুভ্রজ্যোতি মন্ডলের নেতৃত্বে একটি পুলিশের বিশেষ টিম বারুইপুর কাছারি বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

চোরাই সোনার কারবার! গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে পুলিশের ফাঁদে দুই
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:২০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে চলছিল চোরাই সোনার কারবার। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বারুইপুর থানায় এস আই শুভ্রজ্যোতি মন্ডলের নেতৃত্বে একটি পুলিশের বিশেষ টিম বারুইপুর কাছারি বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। আগের পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই সোনার গয়না কেনাবেচার সঙ্গে তাঁদের যোগ থাকার সন্দেহে এই অভিযান চালানো হয়। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগাম পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। এরপর অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। ধৃতদের মধ্যে এজন সৌমেন নস্কর যার বাড়ি জয়নগর থানার অন্তর্গত গড়ের হাট এলাকায়, পেশায় একজন সোনার দোকানের কর্মচারী। এবং অপরজন সাবির  গাজী, বাড়ি সোনারপুর থানা অন্তর্গত বিদ্যাধরপুর এলাকায়। এই সাবির গাজীর বিরুদ্ধে আগে চুরির অভিযোগ আছে বলে জানায় পুলিশ। অভিযান চালিয়ে এক অভিযুক্তের কাছ থেকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য এক অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮টি সোনার আংটি যার ওজন প্রায় ১৬.৯২০ গ্রাম। এই সোনা সৌমেন নস্করের কাছেই বিক্রি করেছিল সাবির এমটাও তদন্তে উঠে এসেছে।  ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী এবং নগদ টাকার উৎস সম্পর্কে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া ধাতব টুকরোগুলি আদৌ সোনা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার উৎস সম্পর্কেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

ধৃত দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই কারবারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। চোরাই সোনা কেনাবেচার এই চক্রের পিছনে বড় কোনও নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ