নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পাহাড়ে অ্যাভোকাডো, কিউয়ি ফল ও অর্কিড ফুলের চাষের উপর বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য। তাই নতুন করে বেশি এলাকা জুড়ে এই ফল ও ফুলের চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উদ্যানপালন দপ্তর। লক্ষ্য বাগান তৈরি করা। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ৬৫ হেক্টর জমিতে অ্যাভোকাডো ও চার হেক্টর জমিতে কিউয়ি চাষ হবে। দপ্তরের দাবি, এই দুই ফলের বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। বিদেশেও রপ্তানি করা গেলে কৃষকের বাড়তি আয় হবে। তাই কীভাবে এই দুই বিদেশি ফলের চাষ করতে হবে সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণও দেবেন বিশেষজ্ঞরা। আধিকারিকদের দাবি, এতদিন বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এসব চাষ হত। এবারে সেটাই আরও সংগঠিতভাবে করতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
অ্যাভোকাডো চাষ করতে হেক্টর পিছু ১.২৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। তার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কৃষককে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভরতুকি দেবে সরকার। অন্যদিকে, কিউয়ির জন্য প্রতি হেক্টরে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হবে। যার মধ্যে একজন কৃষক প্রায় ৪০ শতাংশ ভরতুকি পাবেন। এই দুই ফলের চাষ নিয়ে প্রচার চালানো হবে বিভিন্ন জায়গায়। ইচ্ছুক কৃষক জেলায় আবেদন করতে পারবেন। তারপর সেসব পরীক্ষা করে যোগ্যদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিভিন্নভাবে সাহায্য করবে সরকার। অর্থদপ্তর এই প্রকল্পের অনুমোদন ইতিমধ্যেই দিয়েছে। উৎসবের মরশুম কেটে গেলে এই ব্যাপারে শুরু হবে তোড়জোড়। তবে এই দুই ফলের পাশাপাশি দার্জিলিঙে অর্কিড ফুলের বাগান তৈরি করতেও উদ্যোগী দপ্তর। ৫০০০ বর্গফুট এলাকায় এটি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে এই চাষ হবে পলি হাউসের মাধ্যমে। অর্থাৎ, পলিথিনের শিট দিয়ে ঢেকে তাপমাত্রা ও অন্যান্য উপযুক্ত পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে এই চাষ করা হবে।



