Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ধান বিক্রির জন্য অনলাইনে ‘স্লট’ বুকিংয়ের সময় নির্দিষ্ট করল রাজ্য, অনিয়ম আটকানোই উদ্দেশ্য

রাজ্য সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে আগে থেকে স্লট নেওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় নির্দিষ্ট করে দিল খাদ্যদপ্তর।

ধান বিক্রির জন্য অনলাইনে ‘স্লট’ বুকিংয়ের সময় নির্দিষ্ট করল রাজ্য, অনিয়ম আটকানোই উদ্দেশ্য
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে আগে থেকে স্লট নেওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় নির্দিষ্ট করে দিল খাদ্যদপ্তর। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া করা যাবে। এতদিন এরকম কোনো নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি। আগে স্লট নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। তিনি বলেছিলেন, ‘আগে গভীর রাতে স্লট নেওয়ার জন্য অনলাইন ব্যবস্থা খোলা হত। প্রকৃত চাষিরা বুকিং করতে পারতেন না। চাষির নামে অনেক ফড়ে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করে ফায়দা নিতেন।’ তাই এবার সরকারি নির্দেশিকায় ধান বিক্রির অনলাইন বুকিংয়ের সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সরকারি উদ্যোগে ধান কেনার প্রক্রিয়া ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। চাষিদের নথিভুক্তকরণের  প্রক্রিয়া অবশ্য শুরু হয়ে যাবে ১ নভেম্বর থেকে। চাষি নিজে যেমন স্লট বুকিং করতে পারবেন, তেমনই খাদ্যদপ্তরের অফিস, বিএসকে, ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে গিয়েও এই কাজ করতে পারবেন। নথিভুক্ত হওয়ার পর একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কৃষককে। যেদিন তিনি ধান বিক্রি করতে চাইছেন, তার ১৫ দিন আগে স্লট নিতে হবে নথিভুক্ত চাষিকে। 
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কিষান ও কৃষক বন্ধু (নতুন) প্রকল্পে নথিভুক্তরা সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারবেন। কৃষিদপ্তর এই নথিভুক্ত চাষিদের জেলাভিত্তিক তালিকা ধান বিক্রির পোর্টালে তুলবে। দু’টি প্রকল্পে থাকা কোনো চাষির নাম পোর্টালে না তোলা হলে তিনি নিজেও তা করতে পারবেন। চাষিদের দেওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও জমির নথি যাচাই করা হবে। এই প্রক্রিয়া ঠিকমতো সম্পন্ন হলে তবেই ধান বিক্রি করার নথিভুক্তির সার্টিফিকেট মিলবে। জমির পরিমাণ অনুযায়ী ধান কেনা হবে। চাষি পিছু সর্বোচ্চ ৪৫ কুইন্টাল ধান কেনার কথা বলা হলেও খাদ্যদপ্তর প্রয়োজনে তা বাড়াতে পারে। মোট যে ২৪ লক্ষ ৬৬ হাজার টন ধান কেনার টার্গেট দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনে আরও বাড়াতে পারে দপ্তর। প্রসঙ্গত, জাতীয় প্রকল্পের রেশন গ্রাহকদের চালের চাহিদা অনুযায়ী প্রাথমিক টার্গেট ঠিক করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ