Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বর্তমান’এর মুখোমুখি রাজ্যের আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী, অনেক শিল্প আসবে, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা হবে: কলিতা মাজি

আমাদের মতো পরিবারের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যাঁদের আর্থিক অবস্থা খারাপ, তাঁদের কাছে তিন হাজার টাকা অনেক বেশি।

‘বর্তমান’এর মুখোমুখি রাজ্যের আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী, অনেক শিল্প আসবে, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা হবে: কলিতা মাজি
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে কী বলবেন?

Advertisement

মন্ত্রী: আমাদের মতো পরিবারের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যাঁদের আর্থিক অবস্থা খারাপ, তাঁদের কাছে তিন হাজার টাকা অনেক বেশি। যাঁরা যোগ্য তাঁদের প্রত্যেকেই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সরকার কথা দিয়েছে। 
কর্মসংস্থান নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী? 
মন্ত্রী: আগের সরকার আউশগ্রামের মতো এলাকায় কোনো কাজই করেনি। বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেনি। আমরা করব। কিছুদিন সময় লাগবে। অনেক শিল্প আসবে।
আগামী দিনে কি বর্ধমানে সরকার আবাসন প্রকল্প তৈরি করবে?
মন্ত্রী: বিভিন্ন শহরে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। বর্ধমানে সরকারি জমি পাওয়া গেলে নিশ্চয়ই হবে। আমাদের সরকার সবার মাথার উপর ছাদ দিতে চায়। আগের সরকার আবাস যোজনা প্রকল্প নিয়েও অনিয়ম করেছে। যারা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য তারা পায়নি। অথচ যারা ধনী তারা বাড়ি পেয়েছে।
আউশগ্রাম নিয়ে আগামী দিনে কী পরিকল্পনা রয়েছে?
মন্ত্রী: আউশগ্রামে উন্নতমানের হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কেউ অসুস্থ হলে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে যেতে হয়। আগের সরকার এখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ভাবেনি। এখানে উন্নতমানের হাসপাতাল তৈরি হলে আউশগ্রামের পাশাপাশি মঙ্গলকোটের বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন। এছাড়া কুনুর নদী সংস্কার করা হবে। এই নদী সংস্কারের কাজ হলে আউশগ্রামের পাশাপাশি ভাতার, মঙ্গলকোটের বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন। 
মন্ত্রী হওয়ায় কি সাধারণ মানুষের প্রতি দায়িত্ব বাড়ল?
মন্ত্রী: আমি মনে করি আমার সাফল্যর পিছনে আমার কোনো ভূমিকা নেই। সাধারণ মানুষ আশীর্বাদ করেছে বলেই জয়ী হয়েছি। তাদের ভালবাসা না পেলে এই জায়গায় আসতে পারতাম না। প্রথম থেকেই মানুষের পাশে ছিলাম। আগামী দিনেও একইভাবে থাকব। কেউ কোনো সমস্যায় পড়লে আমাকে সবার আগে পাবে। তাদের জন্য মন্ত্রী হয়েছি। তাদের ভুলব কীভাবে।
রাজনীতিতে আপনার সাফল্য পাওয়া কতটা কঠিন ছিল? 
মন্ত্রী: আমি মনে করি মানুষের পাশে থাকলেই সফলতা আসবে। ২০২১ সালে ভোটে হেরে যাওয়ার পরও মানুষের পাশ থেকে সরে যাইনি। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরেছি। মানুষের সমস্যা শুনে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। তাই মানুষও আমার পাশে ছিল। পরিবারের লোকজনও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।
বেহাল রাস্তা সংস্কার হবে কবে? 
মন্ত্রী: বৃষ্টির জন্য রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। তবে সব রাস্তায় সংস্কার করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে সে কথা ঘোষণা করেছে। আগের সরকারের আমলে রাস্তা সংস্কারে অনিয়ম করা হত। ঠিক মতো রাস্তা সংস্কার না করেই ঠিকাদারদের বিল দেওয়া হয়েছে। এখন তা হবে না। রাস্তা সংস্কারের কাজ ভালভাবে করতে হবে। কোনো ঠিকাদার নিয়ম না মেনে কাজ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনে জেলায় অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হবে। আমাদের সরকারের বহু পরিকল্পনা রয়েছে।
আপনি কি মনে করেন রাজনীতি সবার জন্য? 
মন্ত্রী: মানুষের জন্য যাঁদের কাজ করার মানসিকতা রয়েছে, তাঁরা রাজনীতিতে আসতে পারেন। বিজেপি সবাইকেই গুরুত্ব দেয়। তা না হলে আমি মন্ত্রী হতে পারতাম না। 
সাক্ষাৎকার: সুখেন্দু পাল

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ