সংবাদদাতা, বারুইপুর: সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলকে জয়নগর মজিলপুর পুরসভা এলাকায় বা কোনও অনুষ্ঠানে পাওয়াই যায় না বলেই অভিযোগ। যদিও সাংসদ জানিয়েছেন, পুর কর্তৃপক্ষ কোনও বিষয় আমাকে জানায় না। এমনকী কোনও অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রণ করে না। শুধু তাই নয়, এই এলাকায় আমার যে প্রতিনিধি রয়েছে, তাঁকেও কিছু জানায় না পুরসভা। কেন জানানো হয় না, তা পুরকর্তারাই বলতে পারবেন। অন্যদিকে, জয়নগর মজিলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সুকুমার হালদার এ ব্যাপারে যাবতীয় দায়ভার চাপিয়েছেন সাংসদের ঘাড়ে। তিনি বলেন, লোকসভা ভোটে জেতার পর থেকে সাংসদ আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি। তাঁর অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমরাও অবগত নই। পারস্পরিক চাপানউতোরকে ঘিরে শাসকদলের মধ্যেই বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
Advertisement
সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলের অনুগামীদের সঙ্গে জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের ঘনিষ্ঠদের ‘ঠান্ডা লড়াই’ দীর্ঘদিনের। লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিবাদকে দূরে সরিয়ে দলীয় প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলকে জেতাতে মাঠে নেমেছিলেন বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। কিন্তু ভোটের ফল বেরনোর কয়েক মাস বাদে ‘বন্ধুত্বের’ সম্পর্ক ফের উবে গিয়েছে। প্রতিমা মণ্ডলের অনুগামীদের অভিযোগ, সাংসদ ও তাঁর লোকজনকে গুরুত্বই দেয় না বিধায়কের গোষ্ঠীর লোকজন। পুরসভা বিধায়কের কথায় চলে। তাই সাংসদকে কোনও কিছুতেই ডাকা হয় না। এ বিষয়ে বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।
শাসকদলের অন্দরে এমন বিতর্কের ঘটনায় বহু কাউন্সিলার অস্বস্তিতে পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্সিলার বলেন, সাংসদের সঙ্গে অবশ্যই যোগাযোগ রাখা উচিত। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি সাংসদ তহবিলের কাজ পেতেও অসুবিধা হতে পারে পুরসভার।
শাসকদলের অন্দরে এমন বিতর্কের ঘটনায় বহু কাউন্সিলার অস্বস্তিতে পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্সিলার বলেন, সাংসদের সঙ্গে অবশ্যই যোগাযোগ রাখা উচিত। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি সাংসদ তহবিলের কাজ পেতেও অসুবিধা হতে পারে পুরসভার।



