Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্পেশাল ড্রাইভে মিলেছে সাফল্য, অপরাধ দমনে ফের অভিযানে নামছে সিটি পুলিস

স্পেশাল ড্রাইভে মিলেছে সাফল্য, অপরাধ দমনে ফের অভিযানে নামছে সিটি পুলিস
  • ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেছে হাওড়া সিটি পুলিস। সপ্তাহখানেক আগে হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র, অবৈধ মদ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি বেশ কিছু কুখ্যাত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একইভাবে চলতি মাসজুড়ে আরও স্পেশাল ড্রাইভ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিস।
Advertisement
সম্প্রতি অপরাধ দমন করতে রাজ্যের তরফে বিভিন্ন জেলার পুলিসকে লাগাতার অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইমতো গত ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাওড়া পুলিস কমিশনারেটের বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় সিটি পুলিস। এই অভিযানে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মালিপাঁচঘড়া, লিলুয়া ও সাঁকরাইল থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয় ৬ জন মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনালকে। পাশাপাশি প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র, চোলাই মদও বাজেয়াপ্ত হয়। বেশ কয়েকটি জুয়ার ঠেকে হানাও দেন গোয়েন্দারা। শহরের একুশ জায়গায় নাকা চেকিং চালিয়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় জরিমানা হিসেবে প্রায় ৫ লক্ষ ৭ হাজার টাকা আদায় করে পুলিস। এরপর গত রবিবার ফের একইভাবে নাকা চেকিং চালিয়ে জরিমানা বাবদ প্রায় ৬ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এই সাফল্যের পর শহরজুড়ে অপরাধ ঠেকাতে ফের একই ধরনের স্পেশাল ড্রাইভ চালানো হবে বলে হাওড়া সিটি পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। 
পুলিস সূত্রে খবর, এডিজি আইনশৃঙ্খলার নির্দেশ অনুযায়ী চলতি মাসে স্পেশাল ড্রাইভ চালানো হয়েছিল। তাছাড়া বছরভর ডিসি পদমর্যাদার অফিসাররাও নিজ নিজ ডিভিশনে অভিযান চালিয়ে থাকেন। পাশাপাশি পুলিস কমিশনারের নির্দেশেও রুটিনমাফিক চলে অভিযান। এর ফলে শিবপুর, লিলুয়া, সালকিয়া, বাঁকড়ার মতো এলাকাগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক স্পেশাল ড্রাইভে যে সাফল্য মিলেছে, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখতে তৎপর হাওড়া সিটি পুলিসের কর্তারা। তাই চলতি মাসেই ফের বিশেষ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, এই ধরনের অভিযান চালানো হলে অপরাধীদের গতিবিধির ওপর আরও বেশি নজর রাখা সম্ভব। পাশাপাশি রাস্তাঘাটে আইন লঙ্ঘনকারীরাও সতর্ক থাকে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ