Bartaman Logo
১৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভরা কোটাল এবং নিম্নচাপের ভ্রূকুটি, নদীভাঙন এলাকায় ত্রিপলের ঢাকনা

নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে একটানা ভারী বৃষ্টিপাত। সেইসঙ্গে অমাবস্যার কোটালে নদীতে জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

ভরা কোটাল এবং নিম্নচাপের ভ্রূকুটি, নদীভাঙন এলাকায় ত্রিপলের ঢাকনা
  • ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে একটানা ভারী বৃষ্টিপাত। সেইসঙ্গে অমাবস্যার কোটালে নদীতে জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অবস্থায় নদীবাঁধে ভাঙন নিয়ে নতুন করে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেই লক্ষ্যে উলুবেড়িয়া, শ্যামপুর সহ বিভিন্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকায় নদীর বাঁধ কালো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিল সেচদপ্তর। পাশাপাশি স্লুইস গেটগুলির উপরেও নজর রাখছে তারা।

Advertisement

গত সপ্তাহে অমবস্যার কোটালে নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। তার উপরে নিম্নচাপের বৃষ্টিতে জলের চাপও বেড়েছে। এদিকে উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের জগদীশপুরের কাছে দু’জায়গায় বড় বড় ভাঙন রয়েছে। এছাড়া শ্যামপুরের বাসুদেবপুরেও বড় ভাঙন রয়েছে। বড়োসড়ো ক্ষতি রুখতে নদীবাঁধের এইসব ভাঙনপ্রবণ এলাকা কালো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য নদীর জল যাতে সরাসরি বাঁধে ধাক্কা দিতে না পারে। এছাড়াও নদীর পাড়ে বাঁশের খাঁচা বা পরকো ফেলা হয়েছে।সেইসঙ্গে স্লুইস গেটগুলির উপর নজর রাখছে সেচদপ্তর। কয়েকটি জায়গায় স্লুইস গেট খারাপ। সেখানে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে গেটগুলিকে ঠিক রাখা হয়েছে, যাতে জোয়ার-ভাঁটার জল ঢুকতে-বেরতে পারে। অন্যদিকে, দামোদরের জল এখনো সেভাবে বৃদ্ধি পায়নি। ডিভিসি ৩২ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে। তবে বছরখানেক আগে মেজর ইরিগেশন অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাঙ্কের অর্থে বড় কাজ হওয়ায় আমতা উদয়নারায়ণপুরে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন সেচদপ্তরের কর্তারা।এছাড়া আমতা ২ ব্লকের দ্বীপাঞ্চল ভাটোরা ও ঘোড়াবেড়িয়া চিৎনানে কোটালের জল ঢুকলেও পরে সেটা নেমে যাচ্ছে। ফলে সমস্যা সেভাবে নেই। অপরদিকে বৃষ্টিতে আমতা উদয়নারায়ণপুরে আমন ধান ও পাটচাষে সেভাবে কোনো ক্ষতি হবে না বলে অভিমত কৃষিদপ্তরের। কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখন কিছু জায়গায় ধান রোপণ হয়ে গিয়েছে, কিছু জায়গায় হচ্ছে। বৃষ্টি এই কাজে সহায়ক হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ