Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলাদেশের জল সীমানায় ঢুকে পড়ার বিপদ থেকে মৎস্যজীবীদের বাঁচাচ্ছে ট্রলারে লাগানো বিশেষ যন্ত্র

মৎস্যজীবীদের সুরক্ষায় ট্রলারে লাগানো হচ্ছে বিশেষ যন্ত্র, যা জল সীমানা থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করছে। বিস্তারিত পড়ুন।

বাংলাদেশের জল সীমানায় ঢুকে পড়ার বিপদ থেকে মৎস্যজীবীদের বাঁচাচ্ছে ট্রলারে লাগানো বিশেষ যন্ত্র
  • ১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সমুদ্রে মাছ ধরার মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার যাতে এখানকার কোনো ট্রলার বা মাছ ধরার নৌকা বাংলাদেশে ঢুকে না পড়ে, তার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মৎস্যজীবীদের। তবুও অনেকেই মাছ ধরতে গিয়ে ভারত-বাংলাদেশ জল সীমানার কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন বলে জানতে পারছে জেলা মৎস্য বিভাগ। এই অবস্থায় তাদের সহায় হয়ে উঠছে  ‘টু ওয়ে এমএসএস ট্রান্সপন্ডার।’  সীমানার কাছাকাছি কোনো ট্রলার গেলেই ডায়মন্ডহারবারের কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল চলে আসছে।  সেই মতো সংশ্লিষ্ট ট্রলারকে ওই যন্ত্রের সাহায্যে বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করে জল সীমানা থেকে দূরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। দু’বছর আগে এই যন্ত্র লাগানো শুরু হয়েছিল ট্রলারগুলিতে। এবছর সিংহভাগ ট্রলারেই এটি লাগানো শেষ হয়েছে। তারই সুফল পেতে শুরু করেছেন মৎস্যজীবী থেকে প্রশাসনের আধিকারিকরা। এই যন্ত্রে ‘ইসরো’র প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মৎস্যজীবীরা কোনো বিপদে পড়লে লিখিত বার্তা পাঠাতে পারবেন। এর জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি অফিস প্রস্তুত করা হবে। সব বার্তা ও তথ্য সেখানে আসবে। শুধু তাই নয়, কোনো ট্রলার যদি ভারত-বাংলাদেশ জল সীমানা পার করার চেষ্টা করে, সেটাও ধরা পড়ে যাবে। কারণ, জল সীমানায় দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশ দিয়ে ‘জিও ফেন্সিং’ করা থাকবে। তার সঙ্গে সেন্সরের মাধ্যমে যুক্ত থাকবে সংশ্লিষ্ট ট্রলারে বসানো ওই যন্ত্র। সেভাবেই এবার ট্রলারগুলিকে সাবধান করা হচ্ছে। এক আধিকারিক বলেন, ‘প্রতিদিনই চার-পাঁচটা ট্রলারকে সতর্ক করা হচ্ছে। তারা সীমানার কাছে আসতেই আমাদের কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল আসছে এবং সেই মতো তাদের সতর্ক করে সীমানা থেকে দূরে চলে যেতে বলা হচ্ছে।

Advertisement

এদিকে, নিষেধাজ্ঞার সময়সীমার মধ্যে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে শাস্তির মুখে পড়ল চারটি ট্রলার। তাদের মালিকদের শো-কজ করা হয়েছিল। কিন্তু উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় তাঁদের লাইসেন্স এক মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। কোনোভাবেই যাতে তারা মাছ না ধরতে যায়, তার জন্য নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে খবর।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ