স্বার্ণিক দাস, কলকাতা: একটা স্পোর্টস বাইক। অন্যটা সুপার বাইক। আর এই দু’টি নামের সঙ্গে লেখা ‘বেআইনি’।
Advertisement
সোশ্যাল মিডিয়ায় এ যেন খুল্লামখুল্লা চ্যালেঞ্জ। তাও আবার সরাসরি পুলিসকে। এরপর ট্রাফিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে সেই জয়রাইড চলছে সম্প্রীতি উড়ালপুল, মা ফ্লাইওভার, নিউটাউনের বিশ্ববাংলা সরণিতে। কিন্তু ১২০ কিলোমিটারেরও বেশি বেগে উড়ে যাওয়া সেই সব বাইক কার, কে চালাচ্ছেন— সেই তথ্য পুলিসি জরিমানার বাইরে। কারণ, নম্বর প্লেট যে গাম টেপ দিয়ে ঢাকা! ফলে স্পিডক্যামের সামনে দিয়ে চলে গেলেও এইসব বাইকের ঠিকুজি শনাক্ত করা যাবে না। তাই বাইকবাহিনীর ভাবটা যেন এমন, ‘ধরে দেখাও দেখি...!’ বেপরোয়া এই চালকদের এহেন ফন্দি কীভাবে সামলানো যায়, তা নিয়ে লালবাজারের কর্তাদের কপালের ভাঁজ ক্রমশ চওড়া হচ্ছে।
গতিসীমা ভেঙে প্রথমে ১৮৬ কিমি প্রতি ঘণ্টায় বাইকের সওয়ার। পরে আবার ১৬৪ কিমি গতিতে সুপার বাইকের সঙ্গে ‘কাঁটে কি টক্কর’ স্পোর্টস বাইকের। বিপজ্জনক এই জয়রাইডের ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই খবর প্রকাশ্যে এনেছিল ‘বর্তমান’। তার কয়েকদিনের মধ্যে সাতসকালে মা ফ্লাইওভারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা প্রাণ যায় দুই যুবকের। জয়রাইডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাইড রেলিংয়ে ধাক্কা মেরে উপর থেকে নীচে সায়েন্স সিটি ক্রসিংয়ে গিয়ে পড়েন তাঁরা। এরপরই মা ফ্লাইওভারে ‘বাইক নিষিদ্ধ’ থাকার সময়সীমা সকালে আরও একঘণ্টা (রাত ১০টা-সকাল ৭টা) বাড়ানো হয়। কিন্তু, বর্ষবরণের রাত থেকে অজানা কারণে সেই বিধিনিষেধ সম্পূর্ণ তুলে নেয় লালবাজার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধাম্ত নিয়ে ফাঁদ পেতেছিল কলকাতা পুলিস।
সেই ‘চ্যালেঞ্জ’ সাদরে গ্রহণ করেছে ‘ছাপড়ি রাইডার’রা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জেন-জি’ ভাষায় এই নামেই ডাকা হয় তাদের। এমনই একটি প্রোফাইলকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের নাম ‘ritam_nk’। কমলা রঙের স্পোর্টস বাইক নিয়ে একাধিক পোস্ট হয়েছে তাঁর প্রোফাইলে। সেখানেই সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। তাতে পুলিসকে ট্যাগ করে লেখা হয়েছে ‘বেআইনি’ শব্দ। স্পিডক্যামের নজর এড়িয়ে শহরের রাস্তায় কীভাবে গতির ঝড় তোলা যায়, সেই ব্লু-প্রিন্ট দেখানো হয়েছে ভিডিওটিতে। এজন্য বাইকের সামনের ও পিছনের নম্বর প্লেটের শেষ চারটি ডিজিট ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। এরপর জয়রাইড। কলকাতা পুলিসের এক আধিকারিকের কথায়, ‘নম্বর প্লেট কোনও কিছুর আড়ালে চলে গেলে আর ক্যামেরার দ্বারা জরিমানা করা সম্ভব নয়।’ সেই ফায়দাই তুলছে ‘ছাপড়ি রাইডার’রা।
গতিসীমা ভেঙে প্রথমে ১৮৬ কিমি প্রতি ঘণ্টায় বাইকের সওয়ার। পরে আবার ১৬৪ কিমি গতিতে সুপার বাইকের সঙ্গে ‘কাঁটে কি টক্কর’ স্পোর্টস বাইকের। বিপজ্জনক এই জয়রাইডের ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই খবর প্রকাশ্যে এনেছিল ‘বর্তমান’। তার কয়েকদিনের মধ্যে সাতসকালে মা ফ্লাইওভারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা প্রাণ যায় দুই যুবকের। জয়রাইডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাইড রেলিংয়ে ধাক্কা মেরে উপর থেকে নীচে সায়েন্স সিটি ক্রসিংয়ে গিয়ে পড়েন তাঁরা। এরপরই মা ফ্লাইওভারে ‘বাইক নিষিদ্ধ’ থাকার সময়সীমা সকালে আরও একঘণ্টা (রাত ১০টা-সকাল ৭টা) বাড়ানো হয়। কিন্তু, বর্ষবরণের রাত থেকে অজানা কারণে সেই বিধিনিষেধ সম্পূর্ণ তুলে নেয় লালবাজার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধাম্ত নিয়ে ফাঁদ পেতেছিল কলকাতা পুলিস।
সেই ‘চ্যালেঞ্জ’ সাদরে গ্রহণ করেছে ‘ছাপড়ি রাইডার’রা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জেন-জি’ ভাষায় এই নামেই ডাকা হয় তাদের। এমনই একটি প্রোফাইলকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের নাম ‘ritam_nk’। কমলা রঙের স্পোর্টস বাইক নিয়ে একাধিক পোস্ট হয়েছে তাঁর প্রোফাইলে। সেখানেই সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। তাতে পুলিসকে ট্যাগ করে লেখা হয়েছে ‘বেআইনি’ শব্দ। স্পিডক্যামের নজর এড়িয়ে শহরের রাস্তায় কীভাবে গতির ঝড় তোলা যায়, সেই ব্লু-প্রিন্ট দেখানো হয়েছে ভিডিওটিতে। এজন্য বাইকের সামনের ও পিছনের নম্বর প্লেটের শেষ চারটি ডিজিট ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। এরপর জয়রাইড। কলকাতা পুলিসের এক আধিকারিকের কথায়, ‘নম্বর প্লেট কোনও কিছুর আড়ালে চলে গেলে আর ক্যামেরার দ্বারা জরিমানা করা সম্ভব নয়।’ সেই ফায়দাই তুলছে ‘ছাপড়ি রাইডার’রা।



