নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাহুল গান্ধী বা মল্লিকার্জুন খাড়্গে বিরোধীদের বৈঠক ডাকলে অনেক সময়ই তা সফল হয় না। গত কয়েকটি ক্ষেত্রে তেমনটাই দেখা গিয়েছে। তাই এবার বিরোধীদের একজোট করতে উদ্যোগী হচ্ছেন স্বয়ং সোনিয়া গান্ধী। আগামী ২১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। অধিবেশনে কী কী ইস্যুতে বিরোধীরা একযোগে সরব হতে পারে তার স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতেই ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিকদের বৈঠক ডাকছেন সোনিয়া। বাজেট অধিবেশনের পর থেকে দেশে ঘটে গিয়েছে অনেক কিছুই। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পহেলগাঁও হামলা। প্রত্যাঘাতে পাকিস্তানকে ভারতীয় সেনাবাহিনী শিক্ষা তো দিয়েছে, কিন্তু পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ছিনিয়ে আনার সুবর্ণ সুযোগ মোদি সরকার মিস করেছে বলেই বিরোধীদের অভিমত। ভারত কেন আচমকাই সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়ে গেল? সেনাবাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির তথ্যই বা কেন গোপন করা হচ্ছে? প্রধানমন্ত্রী কেন সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে যাবতীয় খোলসা করছেন না? রাজি হননি পহেলগাঁও হামলা নিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশনেও।
পাশাপাশি বিহারে ভোটার তালিকায় শুদ্ধিকরণের নামে পরোক্ষে এনআরসির ষড়যন্ত্র, মোদি সরকারের ১১ বছর পার হলেও দেশের সামাজিক, আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হওয়া। মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্বর মতো ইস্যুর সমাধানেও মোদির ব্যর্থতাও রয়েছে। রয়েছে জাতি জনগণনার ইস্যুও। তাই সংসদে কীভাবে নরেন্দ্র মোদিকে কোণঠাসা করা যায়, তারই লক্ষ্যে বিরোধীদের বৈঠক ডাকছেন সোনিয়া।
সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সবদলেরই সম্পর্ক ভালো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাও রয়েছে সকলের। তাই তিনি বৈঠক ডাকলে কেউ অবজ্ঞা করতে পারবেন না বলেই কংগ্রেসের মত। সোনিয়া চান, মোদিকে তীব্র আক্রমণ করা হোক। কিন্তু ইস্যু যেন খাপছাড়া না হয়। তাই বাদল অধিবেশনের আগেই ইন্ডিয়া জোটকে বাস্তবিক একাট্টা করতে উদ্যোগী সোনিয়া গান্ধী।



