Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া! তোপ বিজেপির

এসআইআর ও ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ ঘিরে উত্তাল দেশ। কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন।

নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া! তোপ বিজেপির
  • ১৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: এসআইআর ও ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ ঘিরে উত্তাল দেশ। কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের ‘ভোট চুরি’র দাবির পাল্টা জবাব দিতে আসরে নামল বিজেপি। তাদের নিশানায় প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। বুধবার পদ্মপার্টির দাবি, ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়ার নাম উঠে গিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ১৯৮০ সালের দিল্লির একটি বুথের ভোটার তালিকা পোস্ট করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সেখানে তিনি লিখেছেন, সোনিয়া তখনও ভারতের নাগরিক হননি। অথচ ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল। এটা তাহলে ভোটার তালিকায় কারচুপি নয়? উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন সোনিয়া। বিষয়টি স্বীকার করেও পাল্টা যুক্তি দিয়েছে কংগ্রেস। হাত শিবিরের সাংসদ তারিক আনোয়ারের সাফাই, সোনিয়া নিজে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে অনুরোধ জানাননি। নির্বাচন কমিশনের তৎকালীন কর্মীরা কাজটি করেছিলেন। 

Advertisement

১৯৪৬ সালে ইতালিতে জন্ম সোনিয়ার। ১৯৬৮ সালে রাজীব গান্ধীকে বিয়ের পর গান্ধী পদবি নেন। তখন গান্ধী পরিবারের সদস্যরা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। অমিত মালব্যের অভিযোগ, ভারতের নাগরিক হওয়ার আগেই ১৯৮০ সালে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম ওঠে সোনিয়ার। এনিয়ে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে নাম বাদ দেওয়া হয়। ১৯৮৩ সালের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তাঁর নাম তোলা হয়। মালব্যের দাবি, সোনিয়ার নাম দ্বিতীয়বার অন্তর্ভুক্ত হলেও তাতে অসঙ্গতি ছিল। ১৯৮৩ সালের ১ জানুয়ারি ছিল ভোটার তালিকায় নাম তোলার শেষ দিন। কিন্তু ওই বছরের এপ্রিল মাসে ভারতের নাগরিক হন কংগ্রেস নেত্রী। তার আগে কীভাবে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় উঠল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিজেপি নেতা। একইসঙ্গে বিরোধীদের একহাত নিয়েছেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরও।  মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ভোটার তালিকায় কারচুপি নিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। 

সম্পর্কিত সংবাদ