নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও বরানগর, সংবাদদাতা, দার্জিলিং: সল্টলেকের একটি বেসরকারি অফিসের কর্মী অঙ্কিতা ঘোষ (২৮)। গত শনিবার অফিসের কাজ সেরে রাতেই আরও তিন সহকর্মীর সঙ্গে বেরিয়ে পড়েছিলেন দার্জিলিং ভ্রমণের উদ্দেশে। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁদের ঘরে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু আজ ফিরে আসবে অঙ্কিতার নিথর দেহ! মঙ্গলবার সান্দাকফু থেকে নেমে আসার পথে টংলুতে একটি হোটেলে ওঠেন তাঁরা। সেখানে রাতে তিনি বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হন। বন্ধুরা তাঁকে প্রথমে সুখিয়াপোখরি ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে রাতেই তাঁকে দার্জিলিং জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় দক্ষিণ দমদমের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কবি মুকুন্দ দাস রোডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মেয়ে উপার্জন করতে পারছে দেখে রেলের ঠিকাদারির কাজ ছেড়ে দিয়েছিলেন অঙ্কিতার বাবা অমিত ঘোষ। সামনের বছর মেয়ের বিয়ের জন্য তোড়জোড় করছিলেন তাঁরা। নির্বিবাদী ও মিশুকে অঙ্কিতার মৃত্যুর খবরে স্বাভাবিকভাবেই শোকে মূহ্যমান গোটা পাড়া।
Advertisement
গত তিন মাসে পাহাড়ে এনিয়ে মোট চারজন পর্যটকের মৃত্যু হল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উচ্চতাজনিত শ্বাসকষ্ট থেকে মৃত্যু ঘটেছে। অঙ্কিতার ক্ষেত্রে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিস। এই অবস্থায় পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবে বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি চালু করেছে দার্জিলিং জেলা প্রশাসন। শীঘ্রই তারা সান্দাকফুগামী পর্যটকদের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট যাচাই করার কাজে নামবে। বুধবার দার্জিলিং জেলা হাসপাতালের মর্গে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে পুলিসের প্রাথমিক ধারণা, এক্ষেত্রেও উচ্চতাজনিত শ্বাসকষ্টই মৃত্যুর কারণ।
পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে একের পর এক এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে সব মহলে। ইতিমধ্যে প্রশাসন সান্দাকফু ভ্রমণকারী পর্যটকদের জন্য কিছু স্বাস্থ্যবিধি ও পরামর্শ দিয়েছে। সান্দাকফুর উচ্চতা ৩ হাজার ৬৫৭মিটার। মার্চ থেকে মে এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসগুলিতে এই এলাকায় ট্রেকিং করতে যান বহু লোক। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, ছাতা, উইন্ডচিটার, রেনকোট, গরম পোশাক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিংয়ের মহকুমাশাসক রিচার্ড লেপচা বলেন, ‘সান্দাকফুগামী পর্যটকদের জন্য একটি অ্যাডভাইজরি দেওয়া হয়েছে।’ জিটিএ’র এক কর্তা বলেন, ‘এরপর সান্দাকফুর উদ্দেশে যাওয়া পর্যটকদের হেলথ সার্টিফিকেট যাচাই করা হবে। প্রয়োজন পড়লে মানেভঞ্জনে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হবে।’
পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে একের পর এক এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে সব মহলে। ইতিমধ্যে প্রশাসন সান্দাকফু ভ্রমণকারী পর্যটকদের জন্য কিছু স্বাস্থ্যবিধি ও পরামর্শ দিয়েছে। সান্দাকফুর উচ্চতা ৩ হাজার ৬৫৭মিটার। মার্চ থেকে মে এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসগুলিতে এই এলাকায় ট্রেকিং করতে যান বহু লোক। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, ছাতা, উইন্ডচিটার, রেনকোট, গরম পোশাক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিংয়ের মহকুমাশাসক রিচার্ড লেপচা বলেন, ‘সান্দাকফুগামী পর্যটকদের জন্য একটি অ্যাডভাইজরি দেওয়া হয়েছে।’ জিটিএ’র এক কর্তা বলেন, ‘এরপর সান্দাকফুর উদ্দেশে যাওয়া পর্যটকদের হেলথ সার্টিফিকেট যাচাই করা হবে। প্রয়োজন পড়লে মানেভঞ্জনে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হবে।’



