নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বাড়িতে একাই ছিলেন বৃদ্ধা। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাঁকে খুন করে সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছিল যুবক। অভিযুক্তের ফেলা যাওয়া ডায়েরির সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। প্রায় আট বছর মামলা চলার পর অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করল বারাসত জেলা আদালত। আসামির নাম কিরণ তোহার শেখ। আজ, সোমবার সাজা ঘোষণার কথা।
Advertisement
২০১৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বিধাননগর দক্ষিণ থানার সল্টলেক সেক্টর ফোরে একটি আবাসনে থাকতেন মালতি দাস (৬৫)। তাঁর দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তিনি একাই থাকতেন ফ্ল্যাটে। পাশের ফ্ল্যাটটিও তাঁর। তবে কেউ না থাকায় সেটি তালা দেওয়াই থাকত। দু’টি ফ্ল্যাটেই রংয়ের কাজ করতে এসেছিল মুর্শিদাবাদের মিস্ত্রি কিরণ তোহার শেখ। তাকে পাশের ফ্ল্যাটে থাকতে দিয়েছিলেন মালতিদেবী। তখনই কিরণ বৃদ্ধার সোনার গয়না হাতানোর পরিকল্পনা করে। সেগুলি হাতাতে প্রথমে বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে সে। তারপর সোনার গয়না নিয়ে পালায়। তবে তাড়াহুড়োয় অকুস্থলে সে পকেট ডায়েরি ফেলে চলে যায়। পুলিস ওই ডায়েরি থেকেই তদন্তের সূত্র পায়। পরের দিনই অভিযোগ দায়ের হয় থানায়। ১১ অক্টোবর অভিযুক্ত কিরণকে মুম্বই থেকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর দক্ষিণ থানা। তারপর আট বছর ধরে মামলাটি চলে। শনিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন বিচারক।
এ নিয়ে সরকারি আইনজীবী শ্যামলকান্তি দত্ত বলেন, সোনার গয়না নিয়ে পালানোর জন্যই বৃদ্ধাকে খুন করেছিল কিরণ। ওই ডায়েরির সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। সোনার গয়না চুরির পর তা মুর্শিদাবাদে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেছিল। সেই দোকানদারও মামলায় সাক্ষী ছিলেন। এই মামলায় মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ আসামিকে সাজা শোনাবেন বিচারক।
এ নিয়ে সরকারি আইনজীবী শ্যামলকান্তি দত্ত বলেন, সোনার গয়না নিয়ে পালানোর জন্যই বৃদ্ধাকে খুন করেছিল কিরণ। ওই ডায়েরির সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। সোনার গয়না চুরির পর তা মুর্শিদাবাদে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেছিল। সেই দোকানদারও মামলায় সাক্ষী ছিলেন। এই মামলায় মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ আসামিকে সাজা শোনাবেন বিচারক।



