নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: দুর্ঘটনায় কোনও পরিবারের সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, কেউ আবার গুরুতর জখম হয়েছেন। শনিবার সেই সমস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বিশেষ শিবিরের ব্যবস্থা করল জেলার পরিবহণ দপ্তর। এই শিবিরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম মেনে আর্থিক সাহায্য করা হবে। এদিনের শিবির থেকে ৪৭৬টি পরিবারের কাছ থেকে নথি জমা নেন পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকরা। আগামী মার্চ মাসে দ্বিতীয় শিবির অনুষ্ঠিত হবে। এদিন জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বছরের পর বছর ধরে ক্ষতিপূরণের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছেন। কিন্তু, কিছুতেই সুরাহা হচ্ছিল না। অবশেষে প্রশাসন পাশে এসে দাঁড়ানোয় তাঁরা খুশি।
Advertisement
এদিন জেলা পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিক সন্দীপ সাহা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য সরকারের তরফে শতাধিক পরিবারকে ২কোটি ১৯লক্ষ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ বাবদ সাহায্য করা হয়েছে। কিন্তু দেখা যায়, বিভিন্ন কারণে বহু মানুষ এখনও পর্যন্ত টাকা পাননি। তাই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হল।
প্রসঙ্গত, মেদিনীপুরে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত হয়েছেন বহু মানুষ। কখনও টু-হুইলার অথবা ফোর হুইলার ছাড়াও বাস, ট্রাক দুর্ঘটনায় বিকলাঙ্গ হয়েছেন অনেকেই। অভিযোগ, প্রশাসনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরলেও তাঁরা ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি। তাই এদিন প্রশাসনের তরফে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়। জানা গিয়েছে, প্রতিটি থানা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেইমতো একমাসের মধ্যে প্রায় ৫০০ পরিবারের সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিচ্ছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। এদিন শিবিরে এসেছিলেন মুক্তা মল্লিক। তিনি বলেন, আমার স্বামী দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। প্রশাসনের তরফে নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। আশা করছি, সহযোগিতা পাব।
প্রসঙ্গত, মেদিনীপুরে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত হয়েছেন বহু মানুষ। কখনও টু-হুইলার অথবা ফোর হুইলার ছাড়াও বাস, ট্রাক দুর্ঘটনায় বিকলাঙ্গ হয়েছেন অনেকেই। অভিযোগ, প্রশাসনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরলেও তাঁরা ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি। তাই এদিন প্রশাসনের তরফে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়। জানা গিয়েছে, প্রতিটি থানা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেইমতো একমাসের মধ্যে প্রায় ৫০০ পরিবারের সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিচ্ছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। এদিন শিবিরে এসেছিলেন মুক্তা মল্লিক। তিনি বলেন, আমার স্বামী দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। প্রশাসনের তরফে নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। আশা করছি, সহযোগিতা পাব।



