Bartaman Logo
২৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অঙ্ক নিয়ে গবেষণা করতে চায় ষষ্ঠ রৌণক, আইএএস হবে নবম সৃজা

এবার মাথাভাঙা শহর ও গ্রাম মিলিয়ে মেধাতালিকায় রয়েছে দু’জন। মাথাভাঙা-২ ব্লকের ঘোকসাডাঙা প্রামাণিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র রৌণক মিত্র মেধাতালিকায় ষষ্ঠ হয়েছে। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২।

অঙ্ক নিয়ে গবেষণা করতে চায় ষষ্ঠ রৌণক, আইএএস হবে নবম সৃজা
  • ৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: এবার মাথাভাঙা শহর ও গ্রাম মিলিয়ে মেধাতালিকায় রয়েছে দু’জন। মাথাভাঙা-২ ব্লকের ঘোকসাডাঙা প্রামাণিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র রৌণক মিত্র মেধাতালিকায় ষষ্ঠ হয়েছে। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। রৌণকের এই কৃতিত্বে গোটা এলাকায় খুশির আমেজ। এদিন বাড়িতে এসে অভিনন্দন জানিয়েছেন শুভ্যানুধায়ীরা। অপরদিকে, মাথাভাঙা গার্লস স্কুলের ছাত্রী সৃজা দেবনাথ হয়েছে নবম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে সৃজার বাড়ি।

Advertisement

ঘোকসাডাঙা নতুন বাজার এলাকার ছোটো শিমুলগুড়ি গ্রামে বাড়ি মেধা তালিকায় ষষ্ঠ রৌণক মিত্রের। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান রৌণক ছোটোবেলা থেকে মেধাবী। বাবা কলেজের স্টেট এইডেট টিচার। মা শিল্পী দাস মিত্র গৃহবধূ। মেধাবী এই পড়ুয়া বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনার পর অঙ্ক নিয়ে গবেষণায় ইচ্ছুক। বিভিন্ন বিষয়ে রৌণকের প্রাপ্ত নম্বর বাংলায় ৯৭, ইংরেজি ৯৬, অঙ্ক ১০০, ভৌত বিজ্ঞান ৯৯, জীবন বিজ্ঞান ১০০, ইতিহাস ১০০, ভুগোল ১০০। রৌণক প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পড়াশোনা করত। দু’টি টিউশন ছাড়াও বাবা সুশান্ত মিত্র পড়াতেন।
অপরদিকে, মাথাভাঙা গার্লসের ছাত্রী সৃজা দেবনাথ প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা কম নম্বর পেয়েছে। সে মেধা তালিকায় নবম স্থান অধিকার করেছে। সৃজার ইচ্ছা আইএএস কিংবা ডব্লুবিসিএস অফিসার হওয়া। বিভিন্ন বিষয়ে সৃজার প্রাপ্ত নম্বর বাংলায় ৯৬, ইংরেজি ৯৮, অঙ্ক ১০০, ভৌত বিজ্ঞান ১০০, জীবন বিজ্ঞান ৯৯, ইতিহাস ৯৯ এবং ভুগোল ৯৭। সৃজার বাবা সঞ্জয় দেবনাথ স্কুল শিক্ষক, মা সম্পা মহন্ত কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার। দুই ছেলে ও মেয়ের মধ্যে সৃজা বড়ো। এদিন সৃজা জানায়, প্রত্যাশা ছিল আরও ভালো ফলাফলের, কিন্তু সেটা হয়নি।
রৌণকের বাবা সুশান্ত মিত্র বলেন, ছেলে ভালো ফল করবে এটা ভাবনায় ছিল। মেধা তালিকায় ও স্থান পেয়েছে এতে আমরা ভীষণ খুশি। ছেলে ও নিজের পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করবে। সৃজার বাবা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, মেয়ে প্রথম পাঁচের মধ্যে থাকবে এমনটা প্রত্যাশা ছিল। কয়েকটি বিষয়ে নম্বর কিছুটা কম হয়েছে। মেয়ে তার পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ