


নয়াদিল্লি, ১০ মার্চ: এসআইআরে ‘অ্যাডজুডিকেশন’ বা বিচারাধীন তালিকায় থাকা নামের নিষ্পত্তির জন্য এর আগে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কোনও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেলে তা পুনর্বিবেচনার ক্ষমতাও আর কমিশনের হাতে রইল না। এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। যার সদস্য হবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে ছিল এসআইআর মামলার শুনানি। সে সময় মূলত দু’টি বিষয় তুলে ধরেন আবেদনকারীদের আইনজীবী। প্রথমটি, জুডিশিয়াল অফিসার কারও নাম বাদ দিলে এর বিরুদ্ধে কীভাবে আবেদন করা যাবে? এবং দ্বিতীয়টি, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত।
প্রথম ইস্যুতে শীর্ষ আদালত তার গত ২৪ ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। যেখানে সাফ জানানো হয়েছিল, জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কোনও প্রশাসনিক কার্যনির্বাহী স্তরে কোনও আবেদন করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই ধরনের আবেদন শোনার জন্য ট্র্যাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত হবে এই ট্রাইব্যুনাল। এর কাঠামো কী হবে এবং কারা সদস্য থাকবেন, সেই সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। ট্র্যাইব্যুনালের সদস্যদের নাম চূড়ান্ত হলে তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন এবং সে অনুযায়ী গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা হবে ‘নির্বাচন সদন’ থেকে।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়েও এদিন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যেখানে বলা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী কমিশন এই তালিকা প্রকাশ করবে। ভোটের আগের দিন পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করা যাবে। এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ বিচারাধীন নামের নিষ্পত্তি হয়েছে।