নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সাইবার অপরাধীদের ফাঁদে পড়ে প্রতিদিন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু অনলাইনে লুট করা এত টাকা যাচ্ছে কোন অ্যাকাউন্টে? কারা তৈরি করে ওই ধরনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট? একটি প্রতারণার তদন্তে নেমে এই ধরনের অ্যাকাউন্ট বানানোর বড়সড় চক্রের হদিশ পেল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানা। চক্রের মূল পান্ডা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সাইবার প্রতারণার টাকা রাখার জন্য কলকাতাতেই তারা প্রায় ৫০০ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে রেখেছে। ১.৫ থেকে ২ শতাংশ কমিশনে তারা ওই অ্যকাউন্টগুলি ভাড়া দিত। কিছু অ্যাকাউন্ট চড়া দামে বিক্রিও করা হয়েছে। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
Advertisement
বিধাননগর কমিশনারেট জানিয়েছে, গত মে মাসে নিউটাউনের এক ব্যক্তি ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের শিকার হয়েছিলেন। প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে তিনি ৩৭ লক্ষ টাকা খোয়ান। ওই ঘটনার তদন্ত করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানা। তা করতে গিয়েই এই ধরনের অ্যাকাউন্ট বানানোর একটি গ্যাংয়ের খোঁজ পায় সাইবার ক্রাইম থানা। বিভিন্ন নথি দেখে তাদের চিহ্নিত করা হয়। তারপর শনিবার তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম আশিস সাহা, রাজ রাঠি ও অর্ণব সরকার। আশিসের বাড়ি হুগলিতে। বাকি দু’জনের বাড়ি হাওড়ায়। আশিস এই চক্রের পান্ডা। রাজ ও অর্ণব তার সহযোগী। তারা কলকাতার পৃথক জায়গায় তিনটি অফিস খুলেছিল। সেখানে তারা প্রায় ৫০০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক এটিএম কার্ড, মোবাইল, চেকবুক, ল্যাপটপ সহ বিভিন্ন ধরনের নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তদন্তে জানা যায়, সাধারণ মানুষকে টাকার লোভ দেখিয়ে তারা এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি করত, যেগুলি প্রোপ্রাইটারশিপ অ্যাকাউন্ট এবং কারেন্ট অ্যাকাউন্ট। বেশি পরিমাণ টাকা লেনদেনের জন্য (হাই ভ্যালু ট্রানজাকশন) বিভিন্ন কোম্পানির নামে ওই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছিল। এসব অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল অ্যারেস্ট, কেওয়াইসি আপডেট, ইনভেস্টমেন্ট ফ্রড সহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার প্রতারণা থেকে প্রাপ্ত টাকা রাখা হতো। অবৈধ টাকা লেনদেনের জন্য ধৃতরা ১.৫ থেকে ২ শতাংশ কমিশনে অ্যাকাউন্টগুলি ভাড়া দিত। কিছু অ্যাকাউন্ট তারা বিক্রিও করে দিয়েছে। যাঁদের নাম ও নথি নিয়ে অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে তাঁদের প্রায় কেউই জানেন না যে সাইবার প্রতারণায় সেগুলি ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যাঁদের নথি ব্যবহার করা হচ্ছে, আইনের চোখে তাঁরাও অপরাধী।
এ ব্যাপারে বিধাননগরের ডিসি ডিডি (ক্রাইম) সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ সতর্ক করে জানিয়েছেন, কেউ যদি টাকার বিনিময়ে এই প্রোপ্রাইটারশিপ অ্যাকাউন্ট এবং কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে বলে, তাহলে দ্রুত পুলিসকে জানাতে হবে। এই প্রলোভনে পা দিলেই বিপদ।
তদন্তে জানা যায়, সাধারণ মানুষকে টাকার লোভ দেখিয়ে তারা এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি করত, যেগুলি প্রোপ্রাইটারশিপ অ্যাকাউন্ট এবং কারেন্ট অ্যাকাউন্ট। বেশি পরিমাণ টাকা লেনদেনের জন্য (হাই ভ্যালু ট্রানজাকশন) বিভিন্ন কোম্পানির নামে ওই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছিল। এসব অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল অ্যারেস্ট, কেওয়াইসি আপডেট, ইনভেস্টমেন্ট ফ্রড সহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার প্রতারণা থেকে প্রাপ্ত টাকা রাখা হতো। অবৈধ টাকা লেনদেনের জন্য ধৃতরা ১.৫ থেকে ২ শতাংশ কমিশনে অ্যাকাউন্টগুলি ভাড়া দিত। কিছু অ্যাকাউন্ট তারা বিক্রিও করে দিয়েছে। যাঁদের নাম ও নথি নিয়ে অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে তাঁদের প্রায় কেউই জানেন না যে সাইবার প্রতারণায় সেগুলি ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যাঁদের নথি ব্যবহার করা হচ্ছে, আইনের চোখে তাঁরাও অপরাধী।
এ ব্যাপারে বিধাননগরের ডিসি ডিডি (ক্রাইম) সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ সতর্ক করে জানিয়েছেন, কেউ যদি টাকার বিনিময়ে এই প্রোপ্রাইটারশিপ অ্যাকাউন্ট এবং কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে বলে, তাহলে দ্রুত পুলিসকে জানাতে হবে। এই প্রলোভনে পা দিলেই বিপদ।



