নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শীতকালে সাপের উপদ্রব কমে যায় বলেই সকলে জানেন। এবার যেন উল্টো চিত্র। সপ্তাহখানেক ধরে বারাসত শহরেই সাপের উপদ্রবে নাজেহাল অবস্থা মানুষের। সব থেকে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিষধর চন্দ্রবোড়া। রোজই শহরের একাধিক এলাকায় দেখা যাচ্ছে এই বিষাক্ত সাপগুলিকে। এদিকে, বাড়িতে ঢুকে গেলে সেই সাপকে উদ্ধার করছে বনদপ্তর। কিন্তু রাস্তা বা ফাঁকা জায়গায় চন্দ্রবোড়া সাপকে ঘিরে আতঙ্ক ছড়ালেও, বনদপ্তর তাদের উদ্ধার করছে না। এতে উদ্বেগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। এক্ষেত্রে নাগরিকদের সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে দপ্তর। এককর্তার কথায়, বসতবাড়িতে যাতে সাপ না ঢোকে তার জন্য মানুষকে সচেতন থাকতে হবে। কিছুটা উঁচু জায়গায় ঘুমানো উচিত মশারি টাঙিয়ে। তাছাড়া ব্লিচিং,অ্যাসিড ছড়ানো দরকার। তবে এবার সাপের উপদ্রব বেড়েছে, এটা ঠিকই।
Advertisement
শনিবার বিকেলে বারাসত শহরের দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি ফাঁকা জায়গায় একটি সাপ দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেছিলেন, সেটা কোনও বিষধর সাপ নয়। কিন্তু, বনদপ্তরের কর্মীরা ওই সাপটিকে চিহ্নিত করে জানান, সেটি বিষাক্ত চন্দ্রবোড়া। এই সাপের এক কামড়ে মৃত্যুও হতে পারে। সাপটি রাস্তার মধ্যে ছিল। তাই বনদপ্তরের কর্মীরা সাপটিকে সরিয়ে জলের মধ্যে ছেড়ে দেন।
এলাকাবাসীরা বলছেন, এখানে আগে এই ধরনের সাপের উপদ্রব দেখা যেত না। সম্প্রতি চন্দ্রবোড়ার উপদ্রব বেড়ছে। বাড়ি তৈরির জন্য যে ইট, বালি বাইরে থেকে আসছে, তার মধ্যে হয়তো সাপের ডিম চলে আসছে। পরে সেই ডিম থেকেই বিষধর সাপ জন্মাচ্ছে। বাদু, ন’পাড়া, জগদীঘাটা, অশ্বিনীপল্লি, হেলাবটতলা সহ বিভিন্ন এলাকাতেই এই সাপের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে। বাদুর বাসিন্দা শিবাজি চট্টোরাজ বলেন, দিনের বেলায় এলাকায় সাপের উপদ্রব রয়েছে। মানুষের বাড়িতেও ঢুকে যাচ্ছে। চন্দ্রবোড়ার আতঙ্কে আমরা গৃহবন্দি। সপ্তাহখানেক ধরে এমনটা হচ্ছে। বনদপ্তরকে খবর দেওয়া হলে তারা আসছে বটে। কিন্তু ফাঁকা জায়গায় সাপ থাকায় সেগুলিকে উদ্ধার করে অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে না। আমাদের ভয় হচ্ছে, এই বোধহয় বাড়িতে ঢুকে গেল! এ নিয়ে বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রায়দিনই কমবেশি প্রতিটি ওয়ার্ডেই বিষধর সাপ বেরনোর খবর আসছে। এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত। বেশিরভাগ সাপই চন্দ্রবোড়া। নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী বাইরে থেকে আনা হচ্ছে। সেখান থেকেই এমনটা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা এনিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
এলাকাবাসীরা বলছেন, এখানে আগে এই ধরনের সাপের উপদ্রব দেখা যেত না। সম্প্রতি চন্দ্রবোড়ার উপদ্রব বেড়ছে। বাড়ি তৈরির জন্য যে ইট, বালি বাইরে থেকে আসছে, তার মধ্যে হয়তো সাপের ডিম চলে আসছে। পরে সেই ডিম থেকেই বিষধর সাপ জন্মাচ্ছে। বাদু, ন’পাড়া, জগদীঘাটা, অশ্বিনীপল্লি, হেলাবটতলা সহ বিভিন্ন এলাকাতেই এই সাপের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে। বাদুর বাসিন্দা শিবাজি চট্টোরাজ বলেন, দিনের বেলায় এলাকায় সাপের উপদ্রব রয়েছে। মানুষের বাড়িতেও ঢুকে যাচ্ছে। চন্দ্রবোড়ার আতঙ্কে আমরা গৃহবন্দি। সপ্তাহখানেক ধরে এমনটা হচ্ছে। বনদপ্তরকে খবর দেওয়া হলে তারা আসছে বটে। কিন্তু ফাঁকা জায়গায় সাপ থাকায় সেগুলিকে উদ্ধার করে অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে না। আমাদের ভয় হচ্ছে, এই বোধহয় বাড়িতে ঢুকে গেল! এ নিয়ে বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রায়দিনই কমবেশি প্রতিটি ওয়ার্ডেই বিষধর সাপ বেরনোর খবর আসছে। এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত। বেশিরভাগ সাপই চন্দ্রবোড়া। নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী বাইরে থেকে আনা হচ্ছে। সেখান থেকেই এমনটা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা এনিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।



