২৮ মার্চ আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়বে। ফাইনাল ৩১ মে। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগে অভিযান শুরুর আগে কোন দল কতটা শক্তিশালী, তা খোঁজার চেষ্টা করল ‘বর্তমান’
২৮ মার্চ আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়বে। ফাইনাল ৩১ মে। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগে অভিযান শুরুর আগে কোন দল কতটা শক্তিশালী, তা খোঁজার চেষ্টা করল ‘বর্তমান’
দীর্ঘ ১৯ বছরের অপেক্ষা! আইপিএলে এখনও মহার্ঘ ট্রফির স্বাদ পায়নি পাঞ্জাব কিংস। অথচ দু’বার ফাইনালে উঠেছিল তারা। ২০১৪ সালে কেকেআরের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়। আর গতবছর খেতাবি লড়াইয়ে কপাল পোড়ে আরসিবি’র কাছে হেরে। এবার তাই যন্ত্রণামুক্তির তাগিদ নিয়ে অভিযান শুরু করবে প্রীতি জিন্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি। ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ারের কাঁধে ভর করেই অধরা মাধুরী লাভের আশায় পাঞ্জাব।
শক্তি
ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ার ও কোচ রিকি পন্টিংয়ের গেম প্ল্যান অসামান্য। দিল্লি ক্যাপিটালসে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করায় দু’জনের বোঝাপড়াও খুব ভালো। নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিতেও তা অটুট। দুরন্ত ক্রিকেট উপহার দিয়ে পাঞ্জাবকে ফাইনালে তুলেছিলেন গতবার। কেকেআরকে চ্যাম্পিয়ন করা শ্রেয়সের অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ নেই। তাছাড়া পাঞ্জাব শিবিরে বেশ কয়েকজন ভালো মানের অলরাউন্ডার আছেন। জানসেন, স্টোইনিস, ওমরজাই, ওয়েন, ডোয়ারশুইস বা কুপার কনোলিরা ব্যাটে-বলে সমান কার্যকরী। অর্শদীপ সিং, বার্টলে, যুজবেন্দ্র চাহালদের উপস্থিতিতে বোলিং আক্রমণও বেশ শক্তিশালী।
দুর্বলতা
স্কোয়াডে একাধিক বড় নাম থাকলেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল পাঞ্জাব। তাছাড়া প্রিয়াংশ আর্য, প্রভসিমরণ সিং, শশাঙ্ক সিং, নেহাল ওয়াধেরা, মুশির খানদের ধারাবাহিকতার অভাবে ভোগার প্রবণতা রয়েছে। পাশাপাশি বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর ক্ষেত্রেও দুর্বলতা রয়েছে পাঞ্জাবের। তার উপর শুরুর দিকের কয়েকটি ম্যাচে তারকা পেসার লকি ফার্গুসন খেলতে পারবেন না।
সম্ভাবনা
ট্রফি জেতার দাবিদার।
সেরা পারফরম্যান্স
২০১৪ ও ২০২৫ সালের রানার্স।
নজরে যাঁরা
শ্রেয়স আয়ার, প্রিয়াংশ আর্য, মার্কাস স্টোইনিস, শশাঙ্ক সিং, মার্কো জানসেন, অর্শদীপ সিং, যুজবেন্দ্র চাহাল।