Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থান বদল, ফের অতিবৃষ্টির উদ্বেগ উত্তরবঙ্গে

উত্তরবঙ্গে মৌসুমি অক্ষরেখার পরিবর্তনে অতিবৃষ্টির উদ্বেগ। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে কমলা সতর্কতা। বিস্তারিত পড়ুন।

মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থান বদল, ফের অতিবৃষ্টির উদ্বেগ উত্তরবঙ্গে
  • ৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি সোমবার ওড়িশা-ঝাড়খণ্ড হয়ে ছত্তিশগড়ের উপর সরে গিয়েছে। সরে যাওয়ার সময় নিম্নচাপের পিছনের অংশের দিক থেকে বৃষ্টির মেঘ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার উপর চলে আসে। এর জন্য সোমবার সকাল-দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় কিছুটা বেশি  বৃষ্টি হয়েছে ও আকাশ সারাদিন ধরে মেঘলা ছিল। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমলেও উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও লাগোয়া এলাকায় ফের অতিবৃষ্টিজনিত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার জেলার কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার এই জেলাগুলির সঙ্গে জলপাইগুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকার জন্য লাল সতর্কতা জারি করে দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। তারপরও উত্তরবঙ্গের ওই অংশে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মৌসুমি অক্ষরেখা অবস্থান পরিবর্তন করে উত্তরবঙ্গের দিকে উঠে আসার জন্য বৃষ্টি বাড়ছে। পাহাড় থাকার জন্য উত্তরবঙ্গের উপরের অংশে এমনিতেই বেশি বৃষ্টি হয়। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বর্ষার স্বাভাবিক বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে।

Advertisement

সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সবথেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে হুগলির হরিণখোলাতে (১১০ মিমি)। তারকেশ্বরে ৬০ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। হুগলি ছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, দুই বর্ধমান জেলাতেও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি জেলাতে ঘাটতি কমেছে। কলকাতায় এই সময়ে ৫০ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। 
গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে এবার মধ্য ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ওড়িশার পর ছত্তিশগড়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। গভীর নিম্নচাপটির জন্য উত্তর ও পশ্চিম ভারতে বর্ষা সক্রিয় হয়ে বৃষ্টিপাত বেড়েছে। আবহাওয়া অধিকর্তা জানিয়েছেন, এরকম পরিস্থিতিতে আরব সাগর থেকে জলীয় বাষ্প বেশি পরিমাণে ঢুকে দেশের ওইসব অংশে বৃষ্টি বৃদ্ধি করে।  মধ্য ভারতে বর্ষাকালীন বৃষ্টির ঘাটতি মাত্র ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঘাটতি কমে ১৯ শতাংশ হয়েছে। দেশের মধ্যে এখন পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ঘাটতি সবথেকে বেশি ৪১ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে দেশে বৃষ্টির ঘাটতি এখন ২০ শতাংশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ