নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহর কলকাতায় ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র। তা চলে যাচ্ছে দুষ্কৃতীদের হাতে। বিভিন্ন এলাকায় অপরাধীদের একাধিক গ্রুপ তৈরি হয়েছে। তারা নিজেরাই ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ছে। উঠতি গ্যাংয়ের সদস্যদের বিষয়ে খোঁজখবর থাকছে না থানার কাছে। যে কারণে অভিযুক্তকে খুঁজতে গিয়ে কালঘাম ছুটছে অফিসারদের। সেই কারণেই রাফ রেজিস্টার নতুন করে তৈরি করার উদ্যোগ নিল লালবাজার। সেটা তৈরির জন্য সমস্ত থানার কাছে নির্দেশ গিয়েছে বলে খবর।
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকদিন আগেই বলেছেন, কোনও ধরনের বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও দাগী দুষ্কৃতী ধরার অভিযান। কলকাতা পুলিস এলাকাতেও বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তা করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন থানা এলাকায় নতুন দুষ্কৃতী তৈরি হয়েছে। পুরনো অপরাধীদের সঙ্গে তাদের জোর টক্কর চলছে। দু’পক্ষই এলাকার দখল রাখতে মরিয়া। অনলাইন লোটো, জুয়া সাট্টার ঠেক চালাচ্ছে নতুন অপরাধীরা। লালবাজারের কর্তারা জানতে পারছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উঠতি দুষ্কৃতীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে। তাদের ছবি পর্যন্ত কোনও থানায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে রাফ রেজিস্টার আপডেট পর্যন্ত করা হয় না। ধুলো জমেছে এই রেজিস্টার বুকে। নতুন অপরাধীরা কী ধরনের অপরাধ করে বেড়ায়, তারও কোনও তথ্য নেই। এমনকী তারা শহর কলকাতার বাসিন্দা, নাকি কোনও জেলা থেকে এসে এখানে ঘাঁটি গেড়েছে, তাই নিয়েও বিশদে খোঁজখবর করেন না সিংহভাগ থানার অফিসাররা। যে কারণে অনায়াসে দুষ্কৃতীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। ভিন রাজ্যের অপরাধী ও বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা আশ্রয় নিচ্ছে শহরে। বিভিন্ন অনৈতিক কাজকর্ম করছে। অনেকেই বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। এলাকা ঘুরে খোঁজখবর করার ক্ষেত্রে অফিসারদের মধ্যে একটা ঢিলেমি কাজ করছে।
সেই কারণে এবার নতুন করে রাফ রেজিস্টার তৈরির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে লালবাজার। যে কোনভাবেই তারা দুষ্কৃতীদের আটকাতে মরিয়া। তাই সমস্ত থানাতেই পুরনো রাফ রেজিস্টার বের করা শুরু হয়েছে। সেখানে থাকা অপরাধীদের মধ্যে কতজন ধরা পড়েছে, কতজন জেলে রয়েছে, তাই নিয়ে তথ্য জোগাড় চলছে। যারা ধরা পড়েনি, তারা এখন কোথায় এবং কী কাজ করছে, তাই নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছেন অফিসাররা। অধরা নতুন কোন অপরাধী এলাকায় দাপাচ্ছে, তারও তালিকা তৈরি চলছে। প্রতিটি থানাতেই ছবি সমেত এই তালিকা টাঙিয়ে রাখা হবে। কার বিরুদ্ধে কী কেস রয়েছে, তারও উল্লেখ থাকবে। একইসঙ্গে সমস্ত তথ্য ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে, যাতে এক ক্লিকে সকলেই তথ্য জেনে নিতে পারেন।
সেই কারণে এবার নতুন করে রাফ রেজিস্টার তৈরির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে লালবাজার। যে কোনভাবেই তারা দুষ্কৃতীদের আটকাতে মরিয়া। তাই সমস্ত থানাতেই পুরনো রাফ রেজিস্টার বের করা শুরু হয়েছে। সেখানে থাকা অপরাধীদের মধ্যে কতজন ধরা পড়েছে, কতজন জেলে রয়েছে, তাই নিয়ে তথ্য জোগাড় চলছে। যারা ধরা পড়েনি, তারা এখন কোথায় এবং কী কাজ করছে, তাই নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছেন অফিসাররা। অধরা নতুন কোন অপরাধী এলাকায় দাপাচ্ছে, তারও তালিকা তৈরি চলছে। প্রতিটি থানাতেই ছবি সমেত এই তালিকা টাঙিয়ে রাখা হবে। কার বিরুদ্ধে কী কেস রয়েছে, তারও উল্লেখ থাকবে। একইসঙ্গে সমস্ত তথ্য ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে, যাতে এক ক্লিকে সকলেই তথ্য জেনে নিতে পারেন।



