নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোর বিসর্জনে শব্দবাজির দৌরাত্ম্য। তার প্রতিবাদে শহরের তিন জায়গায় আক্রান্ত প্রতিবাদী। উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ তিন কলকাতাতেই একই ছবি।
Advertisement
পাড়ার ক্লাবের কালীপুজোর বিসর্জন উপলক্ষ্যে সন্ধ্যা থেকেই চলছিল দেদার চকোলেট বোমা ফাটানো। অসুস্থ বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির জেরে শব্দবাজি ফাটানোর প্রতিবাদ করতে যান স্থানীয় যুবক সায়ন কুণ্ডু। পরিবর্তে জুটল বেধড়ক মার। আধলা ইটের আঘাতে ফাটিয়ে দেওয়া হল সায়নের মাথা। কালীপুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এন্টালি থানা এলাকার আনন্দ পালিত রোড। খাস কলকাতায় বাজি ফাটানোর প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দক্ষিণে টালিগঞ্জ ও উত্তরে কাশীপুরেও একই ঘটনা ঘটেছে। টালিগঞ্জে শব্দবাজি ফাটানোতে বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক বৃদ্ধ। অন্যদিকে, কাশীপুর থানা এলাকায় মহিলাকে লক্ষ্য করে বাজি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। তাতে আহত হন মহিলা।
রবিবার ছিল কালীপুজোর বিসর্জনের শেষ দিন। এদিনই সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় প্রতিমা ভাসান হয়েছে বলে দাবি পুলিসের। এদিন সন্ধ্যায় আনন্দ পালিত রোডের একটি ক্লাবের পুজোর বিসর্জনে পরপর বোমা ফাটানোর অভিযোগ ওঠে। কানা ঝালাপালা করা শব্দের জেরে অসুস্থ বোধ করেন ষাটোর্ধ্ব সুশীল কুণ্ডু। বাড়ি থেকে বেরিয়ে ক্লাবের উদ্যোক্তাদের নিষেধ করেন বৃদ্ধের ছেলে সায়ন। তাতেও থামেনি শব্দবাজির দৌরাত্ম্য। দ্বিতীয়বার প্রতিবাদ করতে গেলে মাথা ফাটিয়ে দেয় স্থানীয় বাসিন্দা রাজু রায় ও তার ছেলে সুজয় রায়। এরপরেই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় সায়নকে এন আর এস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এন্টালি থানার পুলিস। সায়নের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সকালে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা।
মধ্য কলকাতার এন্টালির মতোই দেদার শব্দবাজির দাপটে কেঁপে ওঠে গল্ফগ্রিন থানা এলাকার আজাদগড়। পাশের বাড়ির সদস্যরা দেদার শব্দবাজি ফাটাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। তার প্রতিবাদে বাড়ির নীচে যান এক প্রৌঢ়। নাম সঞ্জয় ভট্টাচার্য। ৫৯ বছর বয়সি ওই প্রৌঢ় শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করেন। সেখানেও প্রৌঢ়ের কপালে জোটে চরম হেনস্তা। সঞ্জয়বাবুর দাবি, রবিবার রাত ১০টা নাগাদ তাঁর বাড়ির সামনে একের পর এক কালীপটকা ফাটানো হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, সঞ্জয় পাল ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু এই কাজ করছিল। প্রতিবাদ জানালে প্রৌঢ়কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা গালিগালাজ করেছে বলে দাবি প্রৌঢ়ের। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ কলকাতা পুলিসের সাউথ সাবার্বান ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার বিদিশা কলিতাকে ইমেল করে অভিযোগ জানান প্রৌঢ়। যদিও গল্ফগ্রিন থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি তিনি।
উত্তর কলকাতার কাশীপুর থানার মালিপাড়া এলাকায় কালীপুজোর বিসর্জনে বাজি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। রবিবার রাতে দুই পাড়ার কালীপ্রতিমার বিসর্জনের আগে শোভাযাত্রা চলছিল। সেই সময়েই পিছনে থাকা ক্লাবের সদস্যরা একের পর এক চকোলেট বোমা ফাটাচ্ছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সামনে ক্লাবের এক মহিলা সদস্যকে লক্ষ্য করে চকোলেট বোমা ছোড়া হয়। পায়ের কাছে এসে বোমাটি ফাটে। আহত হন ওই মহিলা। এরপরেই দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বচসা বাধে। অভিযোগ, হাতহাতির মধ্যে আহত মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়। কাশীপুর থানায় মহিলা লিখিত অভিযোগ করেন। বিপক্ষের তরফে মারধরের একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের হয়। দু’পক্ষের তিনজন করে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার ছিল কালীপুজোর বিসর্জনের শেষ দিন। এদিনই সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় প্রতিমা ভাসান হয়েছে বলে দাবি পুলিসের। এদিন সন্ধ্যায় আনন্দ পালিত রোডের একটি ক্লাবের পুজোর বিসর্জনে পরপর বোমা ফাটানোর অভিযোগ ওঠে। কানা ঝালাপালা করা শব্দের জেরে অসুস্থ বোধ করেন ষাটোর্ধ্ব সুশীল কুণ্ডু। বাড়ি থেকে বেরিয়ে ক্লাবের উদ্যোক্তাদের নিষেধ করেন বৃদ্ধের ছেলে সায়ন। তাতেও থামেনি শব্দবাজির দৌরাত্ম্য। দ্বিতীয়বার প্রতিবাদ করতে গেলে মাথা ফাটিয়ে দেয় স্থানীয় বাসিন্দা রাজু রায় ও তার ছেলে সুজয় রায়। এরপরেই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় সায়নকে এন আর এস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এন্টালি থানার পুলিস। সায়নের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সকালে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা।
মধ্য কলকাতার এন্টালির মতোই দেদার শব্দবাজির দাপটে কেঁপে ওঠে গল্ফগ্রিন থানা এলাকার আজাদগড়। পাশের বাড়ির সদস্যরা দেদার শব্দবাজি ফাটাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। তার প্রতিবাদে বাড়ির নীচে যান এক প্রৌঢ়। নাম সঞ্জয় ভট্টাচার্য। ৫৯ বছর বয়সি ওই প্রৌঢ় শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করেন। সেখানেও প্রৌঢ়ের কপালে জোটে চরম হেনস্তা। সঞ্জয়বাবুর দাবি, রবিবার রাত ১০টা নাগাদ তাঁর বাড়ির সামনে একের পর এক কালীপটকা ফাটানো হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, সঞ্জয় পাল ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু এই কাজ করছিল। প্রতিবাদ জানালে প্রৌঢ়কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা গালিগালাজ করেছে বলে দাবি প্রৌঢ়ের। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ কলকাতা পুলিসের সাউথ সাবার্বান ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার বিদিশা কলিতাকে ইমেল করে অভিযোগ জানান প্রৌঢ়। যদিও গল্ফগ্রিন থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি তিনি।
উত্তর কলকাতার কাশীপুর থানার মালিপাড়া এলাকায় কালীপুজোর বিসর্জনে বাজি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। রবিবার রাতে দুই পাড়ার কালীপ্রতিমার বিসর্জনের আগে শোভাযাত্রা চলছিল। সেই সময়েই পিছনে থাকা ক্লাবের সদস্যরা একের পর এক চকোলেট বোমা ফাটাচ্ছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সামনে ক্লাবের এক মহিলা সদস্যকে লক্ষ্য করে চকোলেট বোমা ছোড়া হয়। পায়ের কাছে এসে বোমাটি ফাটে। আহত হন ওই মহিলা। এরপরেই দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বচসা বাধে। অভিযোগ, হাতহাতির মধ্যে আহত মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়। কাশীপুর থানায় মহিলা লিখিত অভিযোগ করেন। বিপক্ষের তরফে মারধরের একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের হয়। দু’পক্ষের তিনজন করে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।



