Bartaman Logo
২২ আগস্ট, ২০২৬

দেশজুড়ে ‘স্কুল বাঁচাও’ আন্দোলনে এসএফআই

‘ককরোচ’দের ধাঁচে এবার দেশব্যাপী স্কুল বাঁচাও আন্দোলনে নামছে বামপন্থীরা। আদতে জেন জি’দের কাঁধে ভর দিয়ে রাজ্য তথা জাতীয় স্তরে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার পরিকল্পনা করছে তারা।

দেশজুড়ে ‘স্কুল বাঁচাও’ আন্দোলনে এসএফআই
  • ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘ককরোচ’দের ধাঁচে এবার দেশব্যাপী স্কুল বাঁচাও আন্দোলনে নামছে বামপন্থীরা। আদতে জেন জি’দের কাঁধে ভর দিয়ে রাজ্য তথা জাতীয় স্তরে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার পরিকল্পনা করছে তারা। অন্তত এমনই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল। আগামী অক্টোবর মাস পর্যন্ত সারা দেশে স্কুল বাঁচাও আন্দোলন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিএমের ছাত্র শাখা এসএফআই। শুক্রবার দিল্লিতে এসংক্রান্ত ঘোষণা করেছে এসএফআইয়ের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ‘ককরোচ’দেরও। এদিন এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘স্কুল বাঁচাও আন্দোলন আদতে বামেদেরই কর্মসূচি। তবে আমাদের এই আন্দোলন সকলের জন্যই খোলা। যে কেউ এতে অংশ নিচে পারেন। ককরোচরাও।’ এসএফআই দাবি জানিয়েছে, স্কুলে স্কুলে পুষ্টিকর মিড ডে মিল সরবরাহের বন্দোবস্ত করতে হবে। স্কুলছুটের হার কমাতে হবে। সারা দেশে যত সরকারি বিদ্যালয় বন্ধ হয়েছে, তার প্রতিটি ফের চালু করতে হবে। স্কুলের পরিকাঠামোগত মানোন্নয়ন ঘটাতে হবে। আরও বেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করতে হবে। একজন শিক্ষক যেন একবারে ২০ জন পড়ুয়ার বেশি ছাত্রছাত্রীকে পড়ানোর ভার না পান। পাশাপাশি, ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবিও করেছে এসএফআই। সৃজনদের অভিযোগ, গত এক দশকে প্রায় ৯৪ হাজার সরকারি বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অথচ বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা বেড়েছে ৪০ হাজার। দ্বাদশ শ্রেণি পাশের আগে স্কুলছুটের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৩ শতাংশ। দেশে এমন প্রায় এক লক্ষ স্কুল রয়েছে, যেখানে মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন। অর্থাৎ, শিকেয় উঠেছে শিক্ষাব্যবস্থা।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ