Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বৃষ্টিতে হাওড়ার একাধিক এলাকা জলমগ্ন, পাম্প চালিয়ে নামল জল

হাওড়ায় টানা বৃষ্টিতে একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। পুরসভার দ্রুত পদক্ষেপে জল নামানো সম্ভব হয়েছে। বিস্তারিত জানুন।

বৃষ্টিতে হাওড়ার একাধিক এলাকা  জলমগ্ন, পাম্প চালিয়ে নামল জল
  • ৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সোমবার ভোররাত থেকে চলা টানা বৃষ্টিতে হাওড়া শহরের একাধিক এলাকায় জল জমে যায়। উত্তর ও মধ্য হাওড়ার বেশ কয়েকটি এলাকায় রাস্তাঘাট এবং অলিগলিতে জল দাঁড়িয়ে থাকায় সকাল থেকেই সমস্যায় পড়েন বাসিন্দারা। তবে হাওড়া পুরসভার দ্রুত পদক্ষেপে অধিকাংশ জায়গা থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জল নেমে যায়। কোথাও দীর্ঘ সময় জল দাঁড়িয়ে থাকেনি।

Advertisement

সবচেয়ে বেশি জল জমে উত্তর হাওড়ার বেলগাছিয়া, মৈনাথ পোড়েল লেন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দেবেন্দ্রনাথ মিত্র লেন এবং তিনকড়িনাথ বোস লেনে। মধ্য হাওড়ার পঞ্চাননতলায় মূল রাস্তার জল না জমলেও অলিগলিতে বিকাল পর্যন্ত জল ছিল। পরে ধীরে ধীরে সেখান থেকেও জল নেমে যায়। জমা জলের কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় রামরাজাতলা স্টেশনগামী নিত্যযাত্রীদের। অন্যদিকে, জগাছার মৌখালি এলাকায় অবশ্য পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক ছিল। কিছুদিন ধরে এই এলাকায় বেহাল নিকাশির কারণে অল্প বৃষ্টিতে দীর্ঘক্ষণ ধরে জল জমছিল। ইতিমধ্যে পুরসভার কর্মীরা বড়ো নালা পরিষ্কার করায় এদিন বৃষ্টির জল দ্রুত বেরিয়ে যায়। নালা থেকে আবর্জনা সরিয়ে দেওয়ার ফলে ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা তেমন দেখা যায়নি।
হাওড়া পুরসভার পাঁচটি পাম্পিং স্টেশন থেকে লাগাতার পাম্প চালিয়ে জমা জল বের করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় নিকাশি নালা পরিষ্কার করার কাজও চলে। পুরসভার দাবি, নালা থেকে আবর্জনা সরানোর ফলে জল দ্রুত নামানো সম্ভব হয়েছে। এদিকে লাগাতার বৃষ্টির জেরে বেলুড় আন্ডারপাসের শোচনীয় অবস্থার অবশ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। পাশাপাশি লিলুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও জমা জলের ভোগান্তি চরম আকার নেয়। বালি, বেলুড় ও লিলুয়ায় দ্রুত নিকাশি পরিষ্কারের কাজ শেষ করতে বিধায়ক সঞ্জয় সিং প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পুরসভার কাজ খতিয়ে দেখছেন। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাই বলেন, বর্ষার সময় যাতে শহরে জল না জমে, তার জন্য বড়ো নিকাশি নালাগুলি পরিষ্কার করার কাজ চলছে। এরপর অলিগলির ছোটো নালা সাফইয়ের কাজ শুরু হবে। ফলে জল জমার সমস্যাও অনেকটা কমে যাবে বলে তাঁর দাবি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ