নয়াদিল্লি: একটি মামলার শুনানিতে তাঁর একটি বেফাঁস মন্তব্য থেকেই জন্ম হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির। তাদের আন্দোলনই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। আবারও সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন তেমন একটি মন্তব্য করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বুধবার একটি মামলার আরজি খারিজের সময় হালকা মেজাজে আবেদনকারীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘রং নাম্বারে ডায়াল করেছেন মনে হচ্ছে। এখন বিক্ষোভ ও আন্দোলনের সময়। আপনাদেরও সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত!’ এই মামলাটিও ছিল নির্বাচন সংক্রান্ত। স্বাধীনতার পর থেকেই উত্তরপ্রদেশের ১৯১ নম্বর কাদিপুর বিধানসভা তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত। সেই সংরক্ষণ বাতিল করার আরজি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই কেন্দ্রের ভোটার জগদীশ সিং। তাঁর যুক্তি, দীর্ঘদিন আসন সংরক্ষণের জেরে ভোটাররা পছন্দমতো প্রার্থী বাছাইয়ের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। এই সংরক্ষণের ফলে কেবল ৪-৫টি পরিবারই লাভবান হয়েছে। তাই তিনি রোটেশন পদ্ধতিতে আসন সংরক্ষণের নির্দেশিকা চান। পঞ্চায়েত এবং পুরসভা স্তরে এমনই রোটেশন পদ্ধতিতে সংরক্ষণের সংস্থান রয়েছে। উত্তরে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানায়, জাতপাতের ভিত্তিতে ভোটের যুক্তি মেনে নেওয়া যায় না। তাছাড়া কোনো আসন সংরক্ষিত থাকলে সেখানকার ভোটাররা ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত, এমনটা বলা যায় না। তাই রোটেশন পদ্ধতিতে আসন সংরক্ষণের দাবিকে মান্যতা দেয়নি শীর্ষ আদালত।



