Bartaman Logo
৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পড়ুয়ার অভাবে বন্ধ স্কুল জোর করে চালানো হবে না: সুকান্ত

সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ছাত্রের অভাবে বন্ধ স্কুল জোর করে চালানো হবে না। নতুন স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

পড়ুয়ার অভাবে বন্ধ স্কুল জোর করে চালানো হবে না: সুকান্ত
  • ৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছাত্রের অভাবে যেসব স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলি চালিয়ে যাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, তা সব পক্ষকে আলোচনা করে দেখতে হবে। শুক্রবার ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের শিক্ষাবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূল আমলে বহু স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে সরব ছিল বিরোধীরা। স্কুলগুলি বন্ধের বিষয়টি সেইসময় শিক্ষাদপ্তরের তরফে অবশ্য সরাসরি স্বীকার করা হয়নি। তবে, বাস্তবে দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন কারণেই সেগুলি তালাবন্ধ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার মূল কারণ ছিল পড়ুয়ার অভাব।

Advertisement

সুকান্তবাবুর এই বক্তব্যের ফলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, পড়ুয়ার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলিকে জোর করে চালানোর চেষ্টা হবে না। বরং যেখানে সত্যিই প্রয়োজন, নতুন স্কুল খোলা হবে সেখানে। এক্ষেত্রে পিএমশ্রী প্রকল্পে প্রয়োজনীয় এলাকায় নতুন স্কুল স্থাপন বা পুরানো স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন ঘটানো হবে। বরং এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। পূর্বতন জমানায় স্কুল বন্ধ নিয়ে রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক ইস্যু করা হত। 
পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণাংশু মিশ্র বলেন, ‘সংসদের পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী ১০ বছরে ৯৪ হাজার কেন্দ্রীয় স্কুলই বন্ধ হয়েছে। তাই এটা বড়ো কথা নয়। বরং, স্বল্প ছাত্রের স্কুলগুলিকে বন্ধ করে কাছাকাছি স্কুলে তাঁদের পাঠানো হলে ভালো। এতে শুধু শুধু অতিরিক্ত শিক্ষকদের বেতন দিয়ে যেতে হবে না। নতুন নিয়োগের চাপও কমবে। পূর্বতন সরকার স্কুল ‘মার্জারের’ বিষয়টিতে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, আধ কিমির মধ্যে প্রাথমিক স্কুল এবং তিন কিমির মধ্যে হাইস্কুল থাকার কথা। কিন্তু তাই বলে চারজন পড়ুয়ার জন্য ১০ জন শিক্ষক রেখে স্কুল চালানো কাজের কথা নয়।’
অন্যদিকে, ওই অনুষ্ঠানেই অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘কোথাও পড়ুয়ার অভাবে স্কুল বন্ধ হয়েছে, আবার কোথাও প্রোমোটিং হয়েছে স্কুল বন্ধ করে।’ এই সরকার এসব বন্ধ করবে, আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে সুকান্তবাবুকে প্রশ্ন করা হয়, কর্মরত শিক্ষকদের যাতে টেট দিতে না-হয়, তার জন্য কি কোনো অর্ডিন্যান্স আনা হচ্ছে? এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ