Bartaman Logo
২৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনী সরতেই নানুরে খুলল স্কুলের দরজা

নানুর টিকেএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরতেই স্কুল খুলেছে। পড়াশোনা ও পরীক্ষার স্বাভাবিকতা ফিরেছে। বিস্তারিত পড়ুন।

কেন্দ্রীয় বাহিনী সরতেই নানুরে খুলল স্কুলের দরজা
  • ২৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর : প্রায় তিন মাস ধরে স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর দখলে। ফলে বন্ধ ছিল নিয়মিত পঠন-পাঠন। নির্ধারিত সময়ে নেওয়া যায়নি প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষাও। অবশেষে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরতেই মঙ্গলবার থেকে ফের পড়াশোনা ও পরীক্ষা শুরু হল নানুর টিকেএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। অবশেষে স্কুল খুলতেই স্বস্তি ফিরেছে ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে।

Advertisement

এপ্রিলের শুরুতে রাজ্যে বিধানসভা ভোট পর্বকে কেন্দ্র করে এই স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর শিবির হয়। তারপর থেকেই স্কুলে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়। গ্রীষ্মাবকাশের পর জেলার অধিকাংশ স্কুলে পঠন-পাঠন স্বাভাবিক হলেও নানুর টিকেএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা স্কুলে ফিরতে পারেনি। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই পড়াশোনায় ছেদ পড়ে।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সম্পূর্ণভাবে স্কুল খালি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এরপর দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ হয়। মঙ্গলবার থেকে প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে সব শ্রেণিকক্ষ এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় আশপাশের স্কুলের অনুষ্ঠান মঞ্চেও পরীক্ষার ব্যবস্থা হয়েছিল বলে জানা যায়। 
এদিন স্কুলে ফিরে উচ্ছ্বাস ধরা পড়ে ছাত্রীদের মুখে। নবম শ্রেণীর ছাত্রী প্রীতি চট্টোপাধ্যায়, অষ্টমের নাসরিন খাতুন ও মাসুদা সুলতানাদের কথায়, অনেকদিন বাদে স্কুলে এসে  ভাল লাগছে। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আবার পড়াশোনা শুরু করতে পেরে খুশি আমরা। 
এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শেলী রায় বলেন, ছাত্রীরা আবার স্কুলে ফিরতে পেরেছে, সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। কিছুদিন আগে স্কুল খালি হলে পঠন-পাঠন ও পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যেত। এখন দ্রুত স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, ভোটপর্বে রাজ্যের বহু স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী শিবির গড়ে তোলা হয়েছিল। ভোট শেষের পরও বেশ কিছু স্কুল দীর্ঘদিন বাহিনীর দখলে ছিল। সম্প্রতি স্কুল শিক্ষা দপ্তর জানিয়েছিল, রাজ্যের ১৬৫টি স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার কারণে পঠন-পাঠন ব্যাহত হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়। অবশেষে নানুরের এই স্কুলেও ফিরল স্বাভাবিকতা। দেরিতে হলেও শুরু হয়েছে পরীক্ষা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ