সংবাদদাতা, বনগাঁ: চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন অভিযুক্ত। ধৃতদের নাম মোহর আলি মণ্ডল (৩৫), বিশ্বজিৎ মণ্ডল (৫৫) ও সম্রাট চন্দ্র (৪২)। মোহর আলির বাড়ি বনগাঁ থানার পাটশিমুলিয়ায়। বিশ্বজিৎ অশোকনগরের বাসিন্দা। সম্রাটের বাড়ি হাবড়ার বাণীপুরে। সোমবার রাতে মূল অভিযুক্ত মোহর আলিকে বাগদা থানা এলাকা থেকে বনগাঁ থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে। তাকে জেরা করে বাকি দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Advertisement
জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা সেচদপ্তরে চাকরি দেওয়ার নাম করে বনগাঁ থানার রাওতারার বাসিন্দা এক ব্যক্তির কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা নেয়। তাদের মঙ্গলবার নিজেদের হেফাজতে চেয়ে বনগাঁ আদালতে পাঠায় পুলিস। বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বনগাঁর রাওতারার বাসিন্দা আব্দুল হাই মণ্ডলকে সেচদপ্তরে চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় মোহর আলি। এজন্য ১২ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়। ২০১৯ সালে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা দেন অভিযোগকারী। এরপর তাঁকে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চান আব্দুল হাই মণ্ডল। মোহর আলি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে। এমনকী হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ। এলাকায় বেশ কয়েকবার সালিশি সভাও হয় বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু টাকা ফেরত না পাওয়ায় গত জুলাই মাসে বনগাঁ থানায় অভিযুক্তের নামে অভিযোগ করেন আব্দুল হাই মণ্ডল। এরপরই পুলিস তদন্তে নামে। জানা গিয়েছে, ধৃতরা আরও অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মোহর আলি বনগাঁ ব্লকের সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুপারভাইজার পদে কাজ করতেন। অশোকনগরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ মছলন্দপুর পঞ্চায়েতের স্থায়ী পদে চাকরি করেন। কাজের সূত্রে বিশ্বজিতের সঙ্গে মোহর আলির যোগাযোগ হয়। এরপর ধৃত তিনজন এক সঙ্গে চাকরি দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করত। পুলিসের দাবি, ধৃত সম্রাট নিজেকে কখনও আইনজীবী, কখনও বড় অফিসার বলে পরিচয় দিত। এই ঘটনায় আর কারা কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিস।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বনগাঁর রাওতারার বাসিন্দা আব্দুল হাই মণ্ডলকে সেচদপ্তরে চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় মোহর আলি। এজন্য ১২ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়। ২০১৯ সালে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা দেন অভিযোগকারী। এরপর তাঁকে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চান আব্দুল হাই মণ্ডল। মোহর আলি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে। এমনকী হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ। এলাকায় বেশ কয়েকবার সালিশি সভাও হয় বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু টাকা ফেরত না পাওয়ায় গত জুলাই মাসে বনগাঁ থানায় অভিযুক্তের নামে অভিযোগ করেন আব্দুল হাই মণ্ডল। এরপরই পুলিস তদন্তে নামে। জানা গিয়েছে, ধৃতরা আরও অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মোহর আলি বনগাঁ ব্লকের সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুপারভাইজার পদে কাজ করতেন। অশোকনগরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ মছলন্দপুর পঞ্চায়েতের স্থায়ী পদে চাকরি করেন। কাজের সূত্রে বিশ্বজিতের সঙ্গে মোহর আলির যোগাযোগ হয়। এরপর ধৃত তিনজন এক সঙ্গে চাকরি দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করত। পুলিসের দাবি, ধৃত সম্রাট নিজেকে কখনও আইনজীবী, কখনও বড় অফিসার বলে পরিচয় দিত। এই ঘটনায় আর কারা কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিস।



