আমেদাবাদ: ৫৫ বলে ৫২। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের নিরিখে মন্দের ভালো। টানা ব্যর্থতার পর অবশেষে রানে ফেরার ইঙ্গিত মিলল বিরাট কোহলির ব্যাটে। বুধবার মোতেরায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে রোহিত শর্মা দ্বিতীয় ওভারে আউট হওয়ার পর মাঠে নামেন ভিকে। প্রত্যাশার প্রবল চাপ সামলে নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করেন। তাঁর শট চয়নেও ছিল মুন্সিয়ানা। কভার ড্রাইভ, ফ্লিক ও কাটে নাস্তানাবুদ করেন ইংল্যান্ডের বোলারদের। সাতটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসই বলে দিচ্ছে কতটা আগ্রাসী ছিলেন বিরাট। আসলে গত ম্যাচে রোহিতের সেঞ্চুরি তাঁকে আরও বেশি চাপে ফেলে দিয়েছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে তাই বড় রান পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অনুশীলনে অতিরিক্ত সময় দিয়েছেন ভুলত্রুটি শুধরে স্বমহিমায় ফেরার পথ উদ্ধারে। সেই লক্ষ্যে কোহলি অনেকটাই সফল বলা চলে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো বড় মাপের টুর্নামেন্টের আগে যা শুধু তাঁকে নয়, গোটা দলকে স্বস্তি দিল।
Advertisement
অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে আউট হওয়াটা কার্যত অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন ভিকে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বার বার একই ভুল করে চরম সমালোচিত হন। এমনকী দিল্লির হয়ে রনজি ট্রফির ম্যাচেও তারই পুনরাবৃত্তিতে মুখ পুড়েছিল কোহলির। এদিন একই কৌশল নিয়েছিলেন মার্ক উড। কিন্তু কোহলি ফাঁদে পা দেননি।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে চোটের কারণে খেলেননি বিরাট। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৫ রানে আউট হয়েছিলেন আদিল রশিদের বলে। ফের একবার ইংল্যান্ড স্পিনারের কাছে বশ মানলেন তিনি। এই নিয়ে ১১ বার। তবে হাফ-সেঞ্চুরি করায় এই যাত্রায় সমালোচনার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছেন বিরাট। একদিনের ক্রিকেটে ৭৩তম হাফ-সেঞ্চুরি করার পথে বেশ কয়েকটি রেকর্ডও গড়লেন তিনি। দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে এশিয়ার মাটিতে ১৬ হাজার রান পূর্ণ করলেন ভিকে। ভাঙলেন শচীনের রেকর্ড। মাস্টার ব্লাস্টার ৩৫৩ ইনিংসে এই নজির গড়েছিলেন। কোহলির লাগল ৩৪০ ইনিংস। একই সঙ্গে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার হাজার রানও হয়ে গেল কোহলির। এর আগে শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও তিনি চার হাজার বা তার বেশি রান করেছিলেন। সেই সুবাদে শচীন, ভিভ, সাঙ্গাকারাদের টপকে স্পর্শ করলেন রিকি পন্টিংকে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে চোটের কারণে খেলেননি বিরাট। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৫ রানে আউট হয়েছিলেন আদিল রশিদের বলে। ফের একবার ইংল্যান্ড স্পিনারের কাছে বশ মানলেন তিনি। এই নিয়ে ১১ বার। তবে হাফ-সেঞ্চুরি করায় এই যাত্রায় সমালোচনার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছেন বিরাট। একদিনের ক্রিকেটে ৭৩তম হাফ-সেঞ্চুরি করার পথে বেশ কয়েকটি রেকর্ডও গড়লেন তিনি। দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে এশিয়ার মাটিতে ১৬ হাজার রান পূর্ণ করলেন ভিকে। ভাঙলেন শচীনের রেকর্ড। মাস্টার ব্লাস্টার ৩৫৩ ইনিংসে এই নজির গড়েছিলেন। কোহলির লাগল ৩৪০ ইনিংস। একই সঙ্গে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার হাজার রানও হয়ে গেল কোহলির। এর আগে শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও তিনি চার হাজার বা তার বেশি রান করেছিলেন। সেই সুবাদে শচীন, ভিভ, সাঙ্গাকারাদের টপকে স্পর্শ করলেন রিকি পন্টিংকে।



