সংবাদদাতা, চাঁচল: সিমেন্টের ঢাকনা খুলে পরপর দুটি সাবমার্সিবল চুরি করে দুষ্কৃতীরা। যার জেরে মালদহের চাঁচল থানার দিঘাবসতপুরে দু’দিন ধরে শতাধিক পরিবার জল সঙ্কটে পড়েছে। পানীয় জলের সঙ্কটে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার চুরির মূল পান্ডাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁচল থানার পুলিস। ধৃত সাকিনুদ্দিনের বাড়ি গাগড়া গ্রামে। তার বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতকে চাঁচল মহকুমা আদালতে তুলে পাঁচদিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস ধৃতকে জেরা করে জানতে পারে, এলাকায় সরকারি সাবমার্সিবল চুরি চক্রে পাঁচজনের একটি গ্যাং তৈরি হয়েছে। যার মূল পান্ডা সাকিনুদ্দিন। বাকিদের ধরতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে চাঁচল থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে দিঘাবসতপুরের গৃহবধূরা জল তুলতে গেলে সাবমার্সিবল চুরির বিষয়টি নজরে পড়ে। সেখানকার পূর্বপাড়া ও মধ্যপাড়ায় একই রাতে দুটি সাবমার্সিবল চুরি যায়। ফলে দুদিন ধরে জল সঙ্কটে পড়েছেন এলাকায় মানুষ। অনেকে অন্যের বাড়ি থেকে জল এনে রান্নার কাজ করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মনসুর আলি ও মকিমুদ্দিন বলেন, দুদিন ধরে জল সঙ্কট তৈরি হলেও প্রশাসন ট্যাঙ্কারে করে গ্রামে পানীয় জল পৌঁছে দেয়নি। পিএইচই’র ট্যাপকলে মহিলারা হুড়োহুড়ি করে জল নিচ্ছেন। মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাসরেফা খাতুন বলেন, এর আগেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই গ্রামে যাতে ট্যাঙ্কারে করে জল পৌঁছে দেওয়া যায়, সেজন্য বিডিওকে বিষয়টি জানিয়েছি।
বৃহস্পতিবার সকালে দিঘাবসতপুরের গৃহবধূরা জল তুলতে গেলে সাবমার্সিবল চুরির বিষয়টি নজরে পড়ে। সেখানকার পূর্বপাড়া ও মধ্যপাড়ায় একই রাতে দুটি সাবমার্সিবল চুরি যায়। ফলে দুদিন ধরে জল সঙ্কটে পড়েছেন এলাকায় মানুষ। অনেকে অন্যের বাড়ি থেকে জল এনে রান্নার কাজ করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মনসুর আলি ও মকিমুদ্দিন বলেন, দুদিন ধরে জল সঙ্কট তৈরি হলেও প্রশাসন ট্যাঙ্কারে করে গ্রামে পানীয় জল পৌঁছে দেয়নি। পিএইচই’র ট্যাপকলে মহিলারা হুড়োহুড়ি করে জল নিচ্ছেন। মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাসরেফা খাতুন বলেন, এর আগেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই গ্রামে যাতে ট্যাঙ্কারে করে জল পৌঁছে দেওয়া যায়, সেজন্য বিডিওকে বিষয়টি জানিয়েছি।



