নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুরের ব্যবসায়ী অজয় মণ্ডলকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে বিহারের গ্যাংস্টার সুবোধ সিং সহ ন’জনের বিরুদ্ধে ‘চার্জ ফ্রেম’ হল বুধবার। তবে অসুস্থ থাকার কারণে সুবোধকে বারাকপুর আদালতে পেশ করা যায়নি। প্রেসিডেন্সি জেল থেকে ভার্চুয়ালি নিজের হয়ে সওয়াল করেন সুবোধ। এই প্রথম বারাকপুর কোর্টে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কোনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ ফ্রেম করা হল।
Advertisement
এদিন আদালতে ভার্চুয়ালি সুবোধ বলেন, সাত বছর ধরে জেলে আছি। আমি কোনও ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নই। আমাকে এই মামলা থেকে মুক্ত করা হোক। সুবোধ হিন্দিতে চার্জশিটের কপি চেয়েছিলেন, যা তাকে দেওয়া হয়েছে।
তবে বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, সুবোধ সই করেছে ইংরেজিতে। তারপরও চার্জশিটের কপি চাইছে হিন্দিতে। গত সপ্তাহে বারাকপুর আদালতের স্পেশাল পি পি বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল সুবোধ সিংয়ের বিরুদ্ধে।
সেই প্রসঙ্গে সুবোধ সিং ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনে এবং কেস ডায়েরি দেখে বারাকপুর আদালতের এডিজে (তিন) অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায় সুবোধ সিং সহ ন’জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি, ষড়যন্ত্র এবং অস্ত্র আইনে চার্জ গঠন করলেন। ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে সাক্ষ্যদান পর্ব।
এদিন সুবোধ আদালতে না এলেও বাকি আট অভিযুক্ত আদালতে হাজির ছিল। এরমধ্যে পাঁচ জনের হয়ে কোনও আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেননি। বাকি তিন অভিযুক্ত আলতাফ রাজা, সাহিল সিং এবং ঋষু পান্ডের হয়ে কমলজিৎ সিং সহ অন্য আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। আর ব্যবসায়ী অজয় মণ্ডলের উপর উত্তম কুমার ও ঋষু পান্ডে গুলি চালিয়ে ছিল।
তবে বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, সুবোধ সই করেছে ইংরেজিতে। তারপরও চার্জশিটের কপি চাইছে হিন্দিতে। গত সপ্তাহে বারাকপুর আদালতের স্পেশাল পি পি বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল সুবোধ সিংয়ের বিরুদ্ধে।
সেই প্রসঙ্গে সুবোধ সিং ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনে এবং কেস ডায়েরি দেখে বারাকপুর আদালতের এডিজে (তিন) অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায় সুবোধ সিং সহ ন’জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি, ষড়যন্ত্র এবং অস্ত্র আইনে চার্জ গঠন করলেন। ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে সাক্ষ্যদান পর্ব।
এদিন সুবোধ আদালতে না এলেও বাকি আট অভিযুক্ত আদালতে হাজির ছিল। এরমধ্যে পাঁচ জনের হয়ে কোনও আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেননি। বাকি তিন অভিযুক্ত আলতাফ রাজা, সাহিল সিং এবং ঋষু পান্ডের হয়ে কমলজিৎ সিং সহ অন্য আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। আর ব্যবসায়ী অজয় মণ্ডলের উপর উত্তম কুমার ও ঋষু পান্ডে গুলি চালিয়ে ছিল।



