নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি: চলতি মাসে জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিকবার তুষারপাত হয়েছে। যা দেখে মহাখুশি পর্যটকেরা। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, ভূ-স্বর্গে ক্রমেই বাড়ছে তাপমাত্রা। জানুয়ারি মাসে কাশ্মীরের আবহাওয়ার পরিস্থিতি দেখে রীতিমতো শঙ্কিত বিজ্ঞানীরা।
Advertisement
আবহাওয়া দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে শ্রীনগরে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় মধ্যে প্রায় ১০ ডিগ্রি পার্থক্য রেকর্ড করা হয়েছে। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাইনাস ৪ থেকে মাইনাস ৫ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৪ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬-৮ ডিগ্রি বেশি।
দিনের বেলা তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ বেড়েছে। সকলেই জানাচ্ছেন, এই সময় কাশ্মীরে ঠান্ডার প্রকোপ এবছরের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। কিন্তু এ বছর আবহাওয়ার ধরন বদলেছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন এবং দূষণের প্রভাবেই আবহাওয়ার এমন বদল ঘটছে। এছাড়াও, ব্যাপক সংখ্যায় গাছ কাটার কারণে কাশ্মীরের আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাগান ও কৃষিকাজের উপরে। এমনকি ভবিষ্যতে এই জলবায়ু পরিবর্তন আরও বড় বিপদও ডেকে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দিনের বেলা তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ বেড়েছে। সকলেই জানাচ্ছেন, এই সময় কাশ্মীরে ঠান্ডার প্রকোপ এবছরের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। কিন্তু এ বছর আবহাওয়ার ধরন বদলেছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন এবং দূষণের প্রভাবেই আবহাওয়ার এমন বদল ঘটছে। এছাড়াও, ব্যাপক সংখ্যায় গাছ কাটার কারণে কাশ্মীরের আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাগান ও কৃষিকাজের উপরে। এমনকি ভবিষ্যতে এই জলবায়ু পরিবর্তন আরও বড় বিপদও ডেকে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



