নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রাত গভীর হলেই রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে পড়ছে একের পর এক ফাঁকা ডাম্পার। গাড়ি পার্কিংয়ের অনুমতি না থাকলেও একপ্রকার প্রশাসনের নজর এড়িয়েই দীর্ঘক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে থাকছে ডাম্পারগুলো। ফলে হাওড়া শহরের জিটি রোড ও ফোরশোর রোডকে সংযুক্ত করা জগৎ ব্যানার্জি ঘাট রোড ক্রমেই হয়ে উঠেছে মৃত্যুফাঁদ। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, পুলিসকে বারবার বলেও রাস্তা থেকে রাতে বেআইনি পার্কিং ওঠানো যায়নি। শনিবার রাতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর প্রশাসনিক নজরদারির অভাব নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার রাতে ফোরশোর রোডের মুখে পরপর দু’টি ডাম্পার রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়েছিল। সেখানেই পেছন দিক থেকে সজোরে এসে ধাক্কা দেয় একটি চারচাকা গাড়ি। তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, জগৎ ব্যানার্জি ঘাট রোডেই রয়েছে হাওড়া সিটি পুলিসের ডিসি সেন্ট্রালের অফিস। উল্টোদিকে রয়েছে অবনী মল। অপেক্ষাকৃত ফাঁকা ও প্রশস্ত এই রাস্তায় দিনের অন্যান্য সময়েও গাড়ির গতিবেগ খানিকটা বেশি থাকে। ফোরশোর রোডের মুখে ট্রাফিক সিগন্যাল সচল থাকলেও সেখানে কোনও ট্রাফিক পুলিস বা সিভিক ভলান্টিয়ারকে দেখা যায় না।
এই ক্রসিং থেকেই একটি রাস্তা গিয়েছে ফোরশোর রোডের দিকে এবং অপর রাস্তাটি শালিমার স্টেশনের দিকে। মূলত মালবাহী ট্রেনে কয়লা, লোহার রড সহ বিভিন্ন ধরনের ভারী সামগ্রী লোডিং-আনলোডিংয়ের জন্য বড় বড় ডাম্পার এই রাস্তা ধরে চলাচল করে। মালপত্র তুলে বা খালি করে কাজিপাড়া হয়ে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায় গাড়িগুলো। রাতের দিকে একসঙ্গে বহু ডাম্পার শালিমার স্টেশনের গুডস গোডাউনের দিকে ঢুকতে না পেরে একে একে রোডের মুখেই দাঁড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতেই দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। সামনে পুলিস কর্তার অফিস থাকলেও কেউ দেখেও দেখে না। ডাম্পার চালকদের কয়েকজন বলেন, ‘আসলে রাতে রাস্তা ফাঁকা থাকে। তাই কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি পার্কিং করি। কেউ কিছুই বলে না।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘ওই জায়গায় গাড়ি পার্কিং বেআইনি। সাধারণত রাস্তা ফাঁকাই থাকে। ট্রাফিকে চাপ থাকলে অনেক সময় যানজট হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ নিজস্ব চিত্র
এই ক্রসিং থেকেই একটি রাস্তা গিয়েছে ফোরশোর রোডের দিকে এবং অপর রাস্তাটি শালিমার স্টেশনের দিকে। মূলত মালবাহী ট্রেনে কয়লা, লোহার রড সহ বিভিন্ন ধরনের ভারী সামগ্রী লোডিং-আনলোডিংয়ের জন্য বড় বড় ডাম্পার এই রাস্তা ধরে চলাচল করে। মালপত্র তুলে বা খালি করে কাজিপাড়া হয়ে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায় গাড়িগুলো। রাতের দিকে একসঙ্গে বহু ডাম্পার শালিমার স্টেশনের গুডস গোডাউনের দিকে ঢুকতে না পেরে একে একে রোডের মুখেই দাঁড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতেই দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। সামনে পুলিস কর্তার অফিস থাকলেও কেউ দেখেও দেখে না। ডাম্পার চালকদের কয়েকজন বলেন, ‘আসলে রাতে রাস্তা ফাঁকা থাকে। তাই কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি পার্কিং করি। কেউ কিছুই বলে না।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘ওই জায়গায় গাড়ি পার্কিং বেআইনি। সাধারণত রাস্তা ফাঁকাই থাকে। ট্রাফিকে চাপ থাকলে অনেক সময় যানজট হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ নিজস্ব চিত্র



