নয়াদিল্লি: ৬৬১ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় চণ্ডীগড়, পঞ্চকুলা ও দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের ছ’টি জায়গায় অভিযান চালাল সিবিআই। শুক্রবার হরিয়ানা ক্যাডারের একাধিক আমলা, নয়ডার ভিপম কনসালট্যান্সি প্রাইভেট লিমিটেডের ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়। ভিপমের ডিরেক্টরের বাড়িতেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। অভিযোগ, হরিয়ানা সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও চণ্ডীগড় প্রশাসনের তহবিল থেকে টাকা সরানো হয়েছে। আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক ও এইউ ফিনান্স ব্যাংকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে সেই টাকা রাখা ছিল বলে জানা গিয়েছে।
রবিবার বিবৃতি দিয়ে সিবিআই জানিয়েছে, ‘ব্যাংকের আধিকারিকদের সঙ্গে মিলে সরকারি আমলারা এই কাজ করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা জমা করত অভিযুক্তরা। তারপর সময় বুঝে তা আত্মসাৎ করা হত।’ কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, লেনদেনের জন্য বিশেষ সুবিধা পেতেন অভিযুক্ত আমলারা। কোনো রকম অনিয়ম চোখে পড়লেও কিছুই বলতেন না। প্রতারণার টাকা ভিপম কনস্যালট্যান্সি প্রাইভেট লিমিটেডের আ্যকাউন্টে জমা করা হত। পরবর্তীতে সংস্থার ডিরেক্টরের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে তা পাঠিয়ে দিতেন অভিযুক্তরা। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘তল্লাশিতে অপরাধমূলক নথি, ডিজিটাল যন্ত্র ও সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রথমে চণ্ডীগড় পুলিশের আর্থিক অপরাধ শাখায় দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে হরিয়ানাতেও দায়ের করা হয় এফআইআর। ষড়যন্ত্র করে সরকারি তহবিলের টাকা হাতানো থেকে শুরু একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। ঘটনায় ইতিমধ্যে পঞ্চকুলার বিশেষ আদালতে প্রাথমিক চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই।