সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কোনও গ্রামের রাস্তা বেহাল, কোনও গ্রামে নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল। এমনই একাধিক অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছিলেন বাসিন্দারা। সাংসদ শতাব্দী রায় তাঁদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কথা রাখলেন তৃণমূলের এই তারকা সংসদ। মঙ্গলবার বিকেলে নলহাটি বিধানসভার দু’টি গ্রামের ঢালাই রাস্তা ও একটি গ্রামের নিকাশি নালা নির্মাণের জন্য সাংসদ তহবিল থেকে ২৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করলেন শতাব্দী রায়। গ্রামবাসীরাও খুশি হয়ে তাঁকে অভ্যর্থনায় ভরিয়ে তুললেন। স্থানীয়রা বলেন, এভাবেই পাশে থাকুন সাংসদ।
নলহাটি-১ ব্লকের কলিঠা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধুরা গ্রামের নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে রয়েছে। পাকা নালা না থাকায় রাস্তার উপর দিয়ে নোংরা জল বয়ে যায়, যা মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্বিসহ অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়। তাই এলাকার মানুষ গ্রামের ভিতরে পাকা নালা নির্মাণের জন্য সাংসদের কাছে আবেদন জানান।
গত লোকসভা ভোট প্রচারের সময় এই ব্লকের কয়থা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কোগ্রামের বাসিন্দারা কাঁচা রাস্তা পাকা করার জন্য সাংসদের কাছে আবেদন করেন। বিশেষ করে বর্ষার সময় তাঁদের চলাফেরা করা খুবই কষ্টকর হয়ে ওঠে বলে জানান। একইভাবে পাকা রাস্তা চেয়ে আবেদন জানান কুরুমগ্রাম পঞ্চায়েতের মতেপুর গ্রামের বাসিন্দারা। শতাব্দী রায় রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তোলার আশ্বাস দেন। বিপুল ভোটে জয়লাভের পরও মানুষের দাবি ভোলেননি তিনি। এদিন বিকেলে তিনটি গ্রামে আসেন। তিনি বলেন, মধুরা গ্রামের নিকাশি নালা নির্মাণের জন্য ১২ লক্ষ টাকা ও বাকি দু‘টি গ্রামের ঢালাই রাস্তা নির্মাণ মিলিয়ে আরও প্রায় ১২ লক্ষ টাকা এমপি ল্যাড থেকে দেওয়া হল। এগুলির কোনটি ভোটের প্রচারের সময় মানুষ দাবি করেছিল, আবার কিছু পরে আবেদন জানানো হয়েছিল। এলাকাবাসীর স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন তিনটি গ্রামেই শতাব্দী রায়কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য ছোট আকারে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মহিলাদের উপস্থিতিই বেশি ছিল। তাঁদের আবেদনে সাংসদ সাড়া দেওয়ায় খুশি গ্রামবাসীরা। সাংসদ বলেন, এভাবেই মা মাটি মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।