Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্ল্যাকবোর্ড

রঙিন ইন্টারপোল

রঙিন ইন্টারপোল
  • ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
ইন্টারপোল খুব কালারফুল। অপরাধ দমনে রং তাদের অন্যতম হাতিয়ার। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ রঙে রাঙিয়ে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে তারা। আর এই সূত্র ধরেই এগয় তদন্তের গতিপ্রকৃতি। ইন্টারপোলের জন্ম আজ থেকে একশো বছরেরও আগে। অপরাধ দমন ও বিভিন্ন দেশের পুলিসের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অপরাধের জাল পাতা বিশ্বজুড়ে। তদন্তে কোনও দেশের পুলিস যেখানে পৌঁছতে পারে না, সেখানে থেকে কাজ শুরু ইন্টারপোলের। অপরাধের শিকড় নিজেদের সীমানা ছাড়ালে বিশ্বের ১৯৬ দেশের পুলিসকে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হতে হয়। সেই অনুযায়ী নোটিস জারি করে ইন্টারপোলের জেনারেল সেক্রেটারিয়ট। তাদের ঝুলিতে আছে মোট আট ধরনের নোটিস। প্রতিটির রঙ আলাদা। যাতে লুকিয়ে আছে লক্ষ্য। যেমন রেড নোটিস। সাজাপ্রাপ্ত বা ফেরার অপরাধীকে ধরতে এই নোটিস জারি হয়। নাবালকদের হদিশ পেতে ব্যবহার হয় হলুদ নোটিসের। আর অপরাধের তদন্তে কোনও ব্যক্তির পরিচয়, অবস্থান বা কার্যকলাপের শিকড় খুঁজতে তাদের অস্ত্র নীল নোটিস। কালো নোটিসের প্রয়োজন পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহের তথ্য সংগ্রহে। এছা‌‌ড়াও রয়েছে সবুজ, কমলা ও পার্পল নোটিস। এগুলি মূলত সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সংক্রান্ত। অন্য কোনও দেশে বসে অভিযুক্তের কাজকর্মে আম জনতার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে জারি হয় সবুজ নোটিস। অরেঞ্জ নোটিস জারির কারণও প্রায় এক। অন্যদিকে,  অপরাধীদের ব্যবহৃত কৌশল, বস্তু, ডিভাইস ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য পার্পল নোটিস জারি হয়। ইন্টারপোলের পরিবারে সদ্য যুক্ত হয়েছে সিলভার নোটিস। ইতালির আবেদনে সদ্য এই নোটিস জারি করা হয়। পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই নোটিসের যোগসূত্র জালিয়াতি ও দুর্নীতির সঙ্গে। অপরাধীদের সম্পত্তি খুঁজে বের করাই এর মূল লক্ষ্য।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ