নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ঘিঞ্জি শহরে অপরিসর নিকাশিনালা। তার উপর পলিব্যাগ জমে নালা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। তাই এবার প্লাস্টিক দূষণ ঠেকাতে বিশেষ যন্ত্র হাতে অভিযান চালাবে পুরসভার দল। নির্ধারিত ১২০ মাইক্রনের চেয়ে কম ঘনত্বের পলিব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে কিনা-তা ওই যন্ত্রের সাহায্যে বোঝা যাবে। কিন্তু এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা দেখা যাবে তো-প্রশ্ন শহরবাসীর।
Advertisement
রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে একটি বিশেষ দল নানা জায়গায় অভিযান চালাবে। এতদিন আমাদের কাছে প্লাস্টিকের মাইক্রন মাপার যন্ত্র ছিল না। ফলে অভিযানে বেরোলেও সমস্যা হতো। এবার অভিযানে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখা যাবে, কোন ঘনত্বের পলিব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করব, সরকার নির্ধারিত সঠিক ঘনত্বের পলিব্যাগ ব্যবহার করুন। নয়তো আগামী বর্ষায় শহরের সবাইকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
নদীয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মহকুমা শহর রানাঘাট। ২০টি ওয়ার্ডের পুরসভা হলেও যথেষ্ট ঘিঞ্জি। লক্ষাধিক মানুষ এশহরে থাকেন। প্রতিবছর জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে। আর সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে শহরে প্লাস্টিক দূষণ বাড়ছে। পুরসভার পর্যালোচনাই বলছে, কম ঘনত্বের প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার গত কয়েকবছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আর এই দূষণের মাশুল হিসেবে শহরের প্রচুর নিকাশিনালা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পুর এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশে নালা থাকলেও সেগুলিতে প্লাস্টিক জমে থাকছে। এছাড়া, স্টেশন লাগোয়া বহু নিকাশিনালা দখল করে অস্থায়ী দোকান গড়া হয়েছে। ফলে ওই সমস্ত নালা সাফাই করা যাচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে জাতীয় সড়কে উপযুক্ত নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় শহর লাগোয়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে গত বর্ষায় দুর্ভোগ দেখা দেয়। নিকাশি সমস্যা মেটাতে প্লাস্টিকমুক্ত শহর গড়াই প্রয়োজন বলে পুর কর্তৃপক্ষ মনে করছে। তাই কোমর বেঁধে প্লাস্টিক বিরোধী অভিযানে নামতে চলেছে তারা।
সম্প্রতি রানাঘাট পুরসভাকে সুডার তরফে ‘মিনি ডিজিটাল থিকনেস গেজ মিটার’ যন্ত্র দেওয়া হয়েছে। ওই যন্ত্র ব্যবহার করে সহজেই জানা যাবে, ব্যবসায়ীদের ব্যবহার করা প্লাস্টিক কত মাইক্রনের। এবার থেকে পুরসভার একটি বিশেষ দল ওই যন্ত্র হাতে বিভিন্ন বাজার ও দোকানে অভিযান চালাবে।
নদীয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মহকুমা শহর রানাঘাট। ২০টি ওয়ার্ডের পুরসভা হলেও যথেষ্ট ঘিঞ্জি। লক্ষাধিক মানুষ এশহরে থাকেন। প্রতিবছর জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে। আর সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে শহরে প্লাস্টিক দূষণ বাড়ছে। পুরসভার পর্যালোচনাই বলছে, কম ঘনত্বের প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার গত কয়েকবছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আর এই দূষণের মাশুল হিসেবে শহরের প্রচুর নিকাশিনালা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পুর এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশে নালা থাকলেও সেগুলিতে প্লাস্টিক জমে থাকছে। এছাড়া, স্টেশন লাগোয়া বহু নিকাশিনালা দখল করে অস্থায়ী দোকান গড়া হয়েছে। ফলে ওই সমস্ত নালা সাফাই করা যাচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে জাতীয় সড়কে উপযুক্ত নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় শহর লাগোয়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে গত বর্ষায় দুর্ভোগ দেখা দেয়। নিকাশি সমস্যা মেটাতে প্লাস্টিকমুক্ত শহর গড়াই প্রয়োজন বলে পুর কর্তৃপক্ষ মনে করছে। তাই কোমর বেঁধে প্লাস্টিক বিরোধী অভিযানে নামতে চলেছে তারা।
সম্প্রতি রানাঘাট পুরসভাকে সুডার তরফে ‘মিনি ডিজিটাল থিকনেস গেজ মিটার’ যন্ত্র দেওয়া হয়েছে। ওই যন্ত্র ব্যবহার করে সহজেই জানা যাবে, ব্যবসায়ীদের ব্যবহার করা প্লাস্টিক কত মাইক্রনের। এবার থেকে পুরসভার একটি বিশেষ দল ওই যন্ত্র হাতে বিভিন্ন বাজার ও দোকানে অভিযান চালাবে।



