


স্মৃতি মান্ধানা: ‘চ্যাম্পিয়নস ইন্ডিয়া’ লেখাটা দেখে মন ভরে যাচ্ছে। প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের এই মুহূর্ত একেবারে অন্যরকম। আগের আসরগুলিতেও আমরা আশা নিয়ে খেলতে গিয়েছি। কিন্তু বারবার সঙ্গী হয়েছে হতাশা। তা সত্ত্বেও বিশ্বাস করে এসেছি যে, এদেশে মহিলাদের ক্রিকেটের প্রসারে আমাদের বড় দায়িত্ব রয়েছে। খেতাব জয়েই তা পূর্ণতা পাবে। অবশেষে স্বপ্ন সফল। জানি না, গত ৪০ দিনের এই সফরকে কীভাবে ব্যাখ্যা করব। গত দেড়মাস আমরা ঠিক করে ঘুমোতেই পারিনি। তবে বিশ্বকাপ জেতার জন্য এসমস্ত কিছুই করা যায়। গত টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা জোর দিয়েছিলাম ফিটনেসে। এখন সবকিছুই ম্যাজিকের মতো লাগছে।
রিচা ঘোষ: বিশ্বকাপ হাতে তোলার জন্য আমরা দীর্ঘসময় অপেক্ষা করেছি। এখন আমরা চ্যাম্পিয়ন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আবেগটা একেবারেই আলাদা। আমরা জানতাম যে, এটাই বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ। তাই সেরাটা উজাড় করে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য। ফাইনালের আলাদা একটা চাপ থাকে। তার মধ্যেই ভালো খেলার চেষ্টা করেছি। সেটাই তৃপ্তির। ভরসা দেখিয়েছিল দল। আমি পেরেছি।
প্রতীকা রাওয়াল: এখনও ঘোরের মধ্যে রয়েছি। চোট পাওয়ায় সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালে খেলতে না পারাটা দুঃখের। তবে দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় সেই যন্ত্রণা ও আক্ষেপ মুছে গিয়েছে। টিম ইন্ডিয়ার সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। রবিবার মাঠের বাইরে বসে সহযোদ্ধাদের লড়াই দেখতে দেখতে উত্তেজনায় কাঁপছিলাম। আর হুইল চেয়ারে চেপে পোডিয়ামে ওঠার সময় তো আমার চোখে জল চলে এসেছিল।