সংবাদদাতা, বনগাঁ: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনুস সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। যার কারণে দেশে বাড়ছে অশান্তি। স্থায়ী সরকার এলেই দেশে শান্তি ফিরবে। মঙ্গলবার ভারতে এসে এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। তাঁদের দাবি, সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর যারা অত্যাচার করছে, তারা আসলে দেশদ্রোহী। ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েও আন্দোলনকে জঙ্গি আন্দোলনে পরিণত করেছিল তারাই। পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যাটা অনেকটাই কমেছে। ভারতের পক্ষ থেকে ভিসা না মেলায় এদেশে বাংলাদেশিরা আসতে পারছেন না বলে দাবি। মঙ্গলবার এদেশে এসেছিলেন ঢাকার যাত্রাবাড়ির বাসিন্দা পলি আখতার। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সেদেশে আশ্রয় নেওয়া মায়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একাংশকেই দায়ী করছেন তিনি। প্রতিবেশী দেশের ওই গৃহবধূ জানান, ভারতের অনেক সহযোগিতা আমাদেরকে বাঁচিয়ে রেখেছে। দেশে মধ্যে যে বা যারা ভারতের জাতীয় পতাকার অসম্মান করেছে, তারা আসলে দেশদ্রোহী রোহিঙ্গা। যাদের জন্য দেশের ছাত্র আন্দোলন জঙ্গি আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। ইউনুস সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটা মাত্র কয়েকদিনের সরকার। স্থায়ী সরকার আসলে দেশ শান্ত হবে। চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেপ্তার এবং ওদেশে থাকা হিন্দুদের উপর অত্যাচারে ঘটনায় অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে ভারত। সোমবার বাংলাদেশ সীমান্ত পেট্রাপোলে সভা করে সনাতনী ঐক্য পরিষদ। সভা থেকে বাংলাদেশের ইউনুস সরকারকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন সনাতনীরা। সেই নিন্দার ঝড় পৌঁছেছে ওপারে। সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে সনাতনীদের বিক্ষোভ কিছুটা হলেও, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ওদেশ থেকে আসা বাংলাদেশিদের মুখেই এদেশের প্রতিবাদ-বিক্ষোভের কথা শোনা গিয়েছে। মঙ্গলবার যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসেন ঢাকার বিক্রমপুরের বাসিন্দা তপন দাস। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিবাদ শুরু হওয়ায়, ওদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা কিছুটা হলেও কমেছে। তবে এখনও কিছু কিছু জায়গায় হিন্দুদের উপর অত্যাচার চলছে।



