


নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা হয়েছে বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি। এনসিইআরটির বই নিয়ে দিনকয়েক ধরে তোলপাড় গোটা দেশ। সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে ক্ষমা চেয়েছে কেন্দ্র। ড্যামেজ কন্ট্রোলে বিতর্কিত বই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আখেরে কিছুই লাভ হয়নি। বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়তে চাইছে না। জানা গিয়েছে, সমাজ বিজ্ঞানের বইটি তৈরির নেপথ্যে ছিল এক বিশেষজ্ঞ দল। সেই দলে এক আইনজীবীও ছিলেন। প্রশ্ন উঠছে, প্রকাশের আগে পাঠ্য বইয়ের সংশিষ্ট বিষয়বস্তু কি ভালো করে খতিয়ে দেখা হয়নি? তা নিয়েই এবার সাফাই দিলেন মন্ত্রকের আধিকারিকরা। তাঁদের বক্তব্য, এমন কোনো বাধ্যতামূলক বিষয় নেই। কোনো নিয়ম নেই যে, বই তৈরির সময় বিশেষ করে এই ধরনের অধ্যায়ের ক্ষেত্রে আলাদা করে আইন তথা বিচার বিভাগের কেউ সবটা পর্যালোচনা করে দেখবেন।
এরইমাঝে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। হাত শিবিরের বক্তব্য, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই সবটা হয়েছে। এনসিইআরটি আসলে ‘নাগপুর কমিউনাল ইকোসিস্টেম ফর রিরাইটিং অব টেক্সটবুকস’। আরএসএসের প্রধান কেন্দ্র নাগপুরকে নিশানা করেই যে এই কটাক্ষ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কংগ্রেসের দাবি, অবিলম্বে বিষয়টির সম্পূর্ণ তদন্ত করুক সুপ্রিম কোর্ট। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, ‘ইজরায়েলে নৈতিক ভীরুতা প্রদর্শনের পর এবার এনসিইআরটি-র বই নিয়ে লোক দেখানো ক্ষোভপ্রকাশে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।’
সুর চড়িয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবও। এদিন তিনি বলেন, ‘বিজেপি সরকার চালাচ্ছে নাকি নিজেদের খেয়ালখুশি মতো সার্কাস চালাচ্ছে? দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপি প্রথমে বড়ো বড়ো অভিযোগ করে। বাজার গরমের চেষ্টা করে। পরে নিজেরা ধরা পড়ে গেলে অনুতপ্ত হয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করে।’