Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাজ্যের প্রকল্প ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চা বাগানে প্রচারে রীনা টোপ্পো এক্কা

চা শ্রমিক থেকে পঞ্চায়েতের রিসোর্স পার্সন। এরপর সামাজিক কাজ করতে যোগ দেন রাজনীতিতে। পরে পঞ্চায়েত সদস্য থেকে ফাঁসিদেওয়া পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি হন।

রাজ্যের প্রকল্প ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চা বাগানে প্রচারে রীনা টোপ্পো এক্কা
  • ২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩
Prefer us on Google

অপু রায়, নকশালবাড়ি: চা শ্রমিক থেকে পঞ্চায়েতের রিসোর্স পার্সন। এরপর সামাজিক কাজ করতে যোগ দেন রাজনীতিতে। পরে পঞ্চায়েত সদস্য থেকে ফাঁসিদেওয়া পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি হন। এবার বিধায়কের দৌড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ফাঁসিদেওয়ার প্রার্থী রীনা টোপ্পো এক্কা। কর্মজীবন থেকে রাজনীতির পথটা প্রায় ২২ বছরের। সেই অভিজ্ঞতাকে হাতিয়ার করে নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট আসনের বিজেপি প্রার্থী দুর্গা মুর্মুকে একহাতে নিয়ে ভোটের ময়দানে নেমেছেন চা মহল্লার বাসিন্দা রীনা। 

Advertisement

২০০৪ সালে ঘোষপুকুরের কমলা চা বাগানের বোমরা লাইন সংসদ থেকে কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য হন। সেখান থেকে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি। চা মহল্লার মানুষকে সুবিধা দিতেই চা শ্রমিক থেকে রাজনীতিতে পা তাঁর। ২০০৯ সালের পর ঘোষপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রিসোর্স পার্সন হয়ে স্বনির্ভরগোষ্ঠী গঠনের কাজে যোগ দেন। ওই অঞ্চলে ৪৫০টি স্বনির্ভরগোষ্ঠী তৈরি করেন। ২০১৩ সালে তৃণমূলে যোগ দেন। এরপর ২০২২ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হন। দল তাঁকে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি করে। এরপর ফাঁসিদেওয়া ব্লকের উন্নয়নে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। শুধু তাই নয়, ব্যক্তিগতভাবে চা মহল্লার শ্রমিকদের জয় জোহার, জাতিগত শংসাপত্র, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রেশন কার্ড তৈরির করে দেওয়ার মতো কাজে এগিয়ে আসেন। এছাড়া সমিতির সভাপতি হিসাবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর ও ব্লকের ফান্ড থেকে ব্লকজুড়ে রাস্তা, কালভার্ট, পথবাতি ও পানীয় জল প্রকল্পের মতো কাজ করেন। 
রীনার স্বামী নাদেশ এক্কা কমলা চা বাগানের ফ্যাক্টরির সাব স্টাফ। তাঁর দুই ছেলে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তৃণমূল প্রার্থী রীনা টোপ্পো এক্কা বলেন, বাগান, গ্রামীণ এলাকার অনেক সমস্যা রয়েছে। যা সঠিক জায়গায় তুলে ধরতে বিধায়কের দৌড়ে নেমেছি। পাশাপাশি দিদির প্রকল্পগুলি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া আমার লক্ষ্য। এই আসনের বিজেপির বিধায়ক দুর্গা মুর্মু গত পাঁচ বছরে কোনো কাজ করেননি। বিধানসভা কেন্দ্রের ৭০ শতাংশ মানুষ তাঁকে চেনে না। তাঁকে ফোন করলেও পাওয়া যায় না। 
এদিকে, ওই কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার বিজেপি প্রার্থী হয়ে ভোটের ময়দানে নেমেছেন দুর্গা মুর্মু। শনিবার ঘোষপুকুরের বিভিন্ন চা বাগানে জনসংযোগ কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। এনিয়ে বিজেপি প্রার্থী দুর্গা মুর্মু বলেন, বাগানে জোরদার প্রচার চলছে। তৃণমূল যাই বলুক না কেন, মানুষ জানে কারা উন্নয়নের পক্ষে। এবারের নির্বাচনে রাজ্য থেকে ওরা সাফ হয়ে যাবে। • প্রচারে বেরিয়ে চা পাতা তুলছেন রীনা। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ