Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

দ্বিতীয় আত্মঘাতী জঙ্গি তৈরির চেষ্টা ব্যর্থ নবির, আপেল তোলার অজুহাতে সরে দাঁড়ায় যুবক

আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়, লালকেল্লা বিস্ফোরণ এবং মেডিকেল মডিউল নিয়ে নতুন তথ্য হাতে পেলেন তদন্তকারীরা।

দ্বিতীয় আত্মঘাতী জঙ্গি তৈরির চেষ্টা ব্যর্থ নবির, আপেল তোলার অজুহাতে সরে দাঁড়ায় যুবক
  • ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি ও শ্রীনগর: আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়, লালকেল্লা বিস্ফোরণ এবং মেডিকেল মডিউল নিয়ে নতুন তথ্য হাতে পেলেন তদন্তকারীরা। গত বছরের নভেম্বরে আল ফালাহে মেডিকেল মডিউলের পর্দা ফাঁস হওয়ার পরেই ডাক্তার-জঙ্গিদের নিয়ে প্রচুর তথ্য পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছিল, মডিউলের অন্যতম সদস্য এবং লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণে জড়িত আত্মঘাতী জঙ্গি ডাঃ উমর উন নবি একাধিক যুবকের ‘মগজ ধোলাই’ করে। ভারতে বড়োসড় আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল তার। তার জন্য আত্মঘাতী জঙ্গি তৈরি করছিল সে। সেই সময় জশির ওরফে দানিশ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে জানা গিয়েছিল, উমর তাকে আত্মঘাতী হামলা চালানোর জন্য ‘রাজি’ করিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ওই যুবক সরে দাঁড়ায়। এবার আরও এক যুবকের খোঁজ মিলল, যাকে উমর দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদের পাঠ দিয়েছিল। দ্বিতীয় যুবককেও ‘আত্মঘাতী জঙ্গি’ হিসেবে গড়ে তোলা উদ্দেশ্য ছিল উমরের। কিন্তু, ওই যুবকও আপেল তুলতে যাওয়ার নাম করে প্ল্যান থেকে সরে দাঁড়ায়। কাশ্মীরের সোপিয়ানের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম ইয়াসির আহমেদ দার। এনআইএ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

Advertisement

তদন্তকাকরীদের ইয়াসির জানিয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে ইয়াসিরের সঙ্গে উমরের যোগাযোগ ছিল। জেরায় ওই যুবক স্বীকার করেছে, উমর চিকিত্সক হওয়ায় সে আরও বেশি প্রভাবিত হয়েছিল। ফলে, উমরের কট্টরপন্থী কথাবার্তা তার কাছে আরও বেশি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। উমরের পরিকল্পনা ছিল যে, যদি মেডিকেল মডিউলের প্রথম স্তরের জঙ্গিরা ব্যর্থ হয়, তাহলে দ্বিতীয় স্তরের জঙ্গিরা বাকি কাজ করবে। এনআইএ সূত্রে খবর, স্কুলছুট ইয়াসিরের সঙ্গে টেলিগ্রাম অ্যাপে যোগাযোগ রাখত উমর। কিন্তু গত বছরের আগস্টে ইয়াসির জানিয়ে দেয়, সামনেই আপেল তোলার মরশুম আসছে। এছাড়া তার বাড়ি মেরামত করতে হবে। তাই সে ‘আত্মঘাতী মিশনে’ যোগ দিতে পারবে না।

এর আগে কাজিগুন্দের বাসিন্দা জশির ওরফে দানিশও জানিয়েছিল, ডাক্তার পরিচয় দিয়ে উমর তার সঙ্গে ২০২৪ সালে কুলগাওঁয়ের মসজিদে আলাপ করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক দানিশকে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ‘মগজ ধোলাই’ করা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ