Bartaman Logo
৪ জুলাই, ২০২৬

রামমন্দির: এই প্রথম মুখ খুলল আরএসএস, অশান্তি সংঘ পরিবারেই

রামমন্দিরে সংঘ পরিবারে অশান্তি নিয়ে কথা বলেছেন বিনয় কাটিহার। হিন্দু সমাজকে ধৈর্য ধরতে আহ্বান। বিস্তারিত পড়ুন।

রামমন্দির: এই প্রথম মুখ খুলল আরএসএস, অশান্তি সংঘ পরিবারেই
  • ৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রামমন্দির নিয়ে এবার সংঘ পরিবারের মধ্যেই অশান্তি। শুক্রবার বজরং দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং রামমন্দির আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিনয় কাটিহার বলেছেন, ট্রাস্টের কয়েকজন হয়ত কয়েকদিনের মধ্যেই জেল যাবে। তিনি বলেছেন, আমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কথা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে। মোদিজি জানতে চেয়েছেন, এটা কিন্তু ছোটো ব্যাপার নয়। এরপর কী হবে? কাটিহার মোদিকে বলেছেন, আশা করা যায় সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে ট্রাস্টের উচিত ছিল, আগেই আমাদের সকলের সঙ্গে কথা বলা। রামমন্দিরের প্রকৃত আন্দোলনকারীদের যে বর্তমান ট্রাস্ট কর্তারা গ্রাহ্য করতেন না, সেই অভিমান ও ক্ষোভ ফুটে উঠেছে কাটিহারে বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, আমি একবার মন্দিরে আসায় আমাকে মন্দির নির্মাণ ইনচার্জ গোপাল রাও বলেছিলেন, আপনি ভিতরে এলেন কীভাবে? কে অনুমতি দিল? এদের পতন অনিবার্যই ছিল। কাটিহারের এই বক্তব্যের পরেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার বলেছেন, বিনয় কাটিহার মনে হয় না সুস্থ মস্তিষ্কে ওসব কথা বলেছেন।  উনি নিজেই বিভ্রান্ত। রাত দেড়টার সময় মোদিজি ওনার সঙ্গে রামমন্দির নিয়ে কথা বলেছেন এটা হতে পারে নাকি? এরই মধ্যে বিনয় কাটিহার পালটি খেয়ে বলেছেন, চম্পত রাই জেলে যাবেন, এমন কথা তিনি বলেননি।

Advertisement

১৯৯০ সালে লালকৃষ্ণ আদবানি রথযাত্রা শুরু করেন। এরপরই সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক পালাবদলের প্রক্রিয়ার সূত্রপাত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল, দুর্গাবাহিনীর মতো হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি ধর্মীয় আবেগের জোয়ার আনতে দেশব্যাপী প্রচার কর্মসূচি নিয়েছিল। দুয়ে মিলে রামমন্দির আন্দোলন বিজেপির কাছে একটি প্রধান রাজনৈতিক চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। অবশেষে সাফল্য আসে ২০১৯ সালে। এবার সেই রামমন্দিরেই প্রণামি চুরির ঘটনায় সংঘ পরিবারের অন্দরে প্রবল অস্বস্তি। প্রকাশ্যে এসেছে পারস্পরিক দোষারোপ। এই পরিস্থিতিতে রামমন্দির ইস্যুতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ মুখ খুলেছে। বৃহস্পতিবার সংঘের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোশবালে এক বিবৃতিতে হিন্দু সমাজকে ধৈর্য ধরতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, রামমন্দিরের ঘটনা একটি ব্যতিক্রমী বিচ্ছিন্ন ঘটনা। হিন্দু বিরোধীরা অনেক অপবাদমূলক প্রচার করছে। হিন্দু ঐক্য বজায় রাখতে হবে। তদন্ত চলছে। দোষীরা সাজা পাবেই। ট্রাস্টের দিকে ক্রমেই এগিয়ে আসছে তদন্তের অভিমুখ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ