


মুল্লানপুর: আইপিএল প্রায় মধ্যগগনে। কোনও দল ৭টি, কোনও দল খেলে ফেলেছে ৮টি ম্যাচ। জমে উঠেছে প্লে-অফের লড়াই। তবে এবারের কোটিপতি লিগে ধারাবাহিকতার নিরিখে বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে পাঞ্জাব কিংস। ৭টি খেলে ৬টি জয়। বাকি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছিল। সব মিলিয়ে ঝুলিতে ১৩ পয়েন্ট। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে পাঞ্জাব যদি রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে দেয়, তাহলে প্লে-অফের আরও কাছে পৌঁছে যাবে। তাই টগবগ করছে শ্রেয়স আয়ার ব্রিগেড। রাজস্থানও খুব একটা পিছিয়ে নেই। একটা বেশি ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে। পাঞ্জাবকে হারাতে পারলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ। তা হেলায় হারাতে রাজি নন রিয়ান পরাগরা।
দুই দলের ব্যাটিং শক্তিশালী। পাঞ্জাবের ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য দুরন্ত ফর্মে। গত ম্যাচে রানে ফিরেছেন প্রভসিমরন সিং। ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ারও আস্থার মর্যাদা রাখতে সফল। কুপার কনোলি, শশাঙ্ক সিং, নেহাল ওয়াধেরার মতো মারকুটে ব্যাটার পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটিংয়কে শক্তি জোগাচ্ছে। পাঞ্জাবের বোলিংও যথেষ্ট চনমনে। তিন পেসার অর্শদীপ সিং, ব্রাটলেট ও জানসেনের সঙ্গে মার্কাস স্টোইনিসকেও হাত ঘোরাতে দেখা যেতে পারে। স্পিন আক্রমণে সেরা বাজি যুজবেন্দ্র চাহাল।
তবে পাঞ্জাবের বোলারদের পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। দুরন্ত ফর্মে আছেন রাজস্থানের তরুণ তুর্কি বাঁ হাতি ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। গত ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গী যশস্বী জয়সওয়ালও কম যান না। একবার ছন্দ পেলেই আটকানো কঠিন। তবে শুরুতে উইকেট পড়ে গেলে তা সামলে নেওয়ার মতো ক্রিকেটার নেই দলে। ধ্রুব জুরেলের খেলায় ধারাবাহিকতার বড় অভাব। ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছেন ক্যাপ্টেন রিয়ান পরাগও। তাই শুরুতে বৈভব ও যশস্বীকেই খেলতে হবে বড় ইনিংস। হেটমায়ারের উপর আস্থাও টলেছে। তবে কাজ চালিয়ে দিতে পারেন জাদেজা।
রাজস্থানের বোলিং খুব খারাপ নয়। নতুন বলে জোফ্রা আর্চার, বার্গার খুবই বিপজ্জনক। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও জাদেজা।