নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: ইরানের সঙ্গে মার্কিন ও ইজরায়েলের যুদ্ধের আবহে বন্ধ হরমুজ প্রণালী। ফলে দেশে বিঘ্নিত হয়েছে জ্বালানি আমদানি। এমন অবস্থায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা থেকে রায়গঞ্জ শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত পেট্রল-ডিজেল কেনা শুরু করেছেন সাধারণ গাড়ি, বাইকচালকরা। যাঁরা পাম্প থেকে ১৫০-২০০ টাকার তেল নিতেন, তাঁরাই এখন ১২০০-১৫০০ টাকার কিনছেন। পাম্পে ঢুকলেই ‘ফুলট্যাঙ্ক’ করার প্রবণতা শুরু হয়েছে পুরোদমে। স্বাভাবিকভাবেই আচমকা ক্রেতাদের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়, সংকট না থাকলেও সময়ের আগে পাম্পে ফুড়োচ্ছে পেট্রল, ডিজেল। যদিও পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, পেট্রল-ডিজেলে কোনো সংকট নেই। মানুষ বিভিন্ন মাধ্যমে গুজবের বশবর্তী হয়ে বেশি পরিমাণে পেট্রল, ডিজেল কিনছেন। এ ব্যাপারে নর্থবেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের জোনাল চেয়ারম্যান শুভজিত পাল বলেন, জ্বালানি সংস্থাগুলি নিয়মিত জানাচ্ছে যে, তেলের জোগানে কোনো ঘাটতি নেই। স্বাভাবিক আছে তেলের সরবরাহ। পাম্পগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি সরবরাহ হচ্ছে। কিন্তু আচমকা বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলিতে মজুত পেট্রল, ডিজেল সময়ের আগে শেষ হচ্ছে। আমাদের অনুমান, অহেতুক গুজবের জন্য সাধারণ ক্রেতারা আতঙ্কিত হয়ে পেট্রল-ডিজেল ক্রয় বাড়িয়েছেন।



