Bartaman Logo
২০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুরুলিয়া-বীরভূম ‘স্বাভাবিক’ বর্ষা পেলেও মুর্শিদাবাদে ঘাটতি

চলতি বর্ষার মরশুমে প্রথম থেকেই দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলা বীরভূম ও পুরুলিয়া সবসময় মোট বৃষ্টির নিরিখে আবহাওয়াগতভাবে ঘাটতির তালিকাতে ছিল।

পুরুলিয়া-বীরভূম ‘স্বাভাবিক’ বর্ষা পেলেও মুর্শিদাবাদে ঘাটতি
  • ২০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি বর্ষার মরশুমে প্রথম থেকেই দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলা বীরভূম ও পুরুলিয়া সবসময় মোট বৃষ্টির নিরিখে আবহাওয়াগতভাবে ঘাটতির তালিকাতে ছিল। এবারের নিম্নচাপের জেরে অধিক বৃষ্টিতে দুই জেলার সেই তকমা আপাতত সরল। তবে একেবারে ‘বর্ডার লাইনে’ আছে দুই জেলা। দীর্ঘকালীন গড়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কম বৃষ্টি হলে ‘ঘাটতি’ বলে ধরা হয়। দুই জেলাতে বর্ষাকালে সার্বিকভাবে এখন ১৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। এটা স্বাভাবিক বৃষ্টি বলে ধরা হয়। কয়েকদিন আগেও এটা ৩০ শতাংশ কমের আশপাশে ছিল। দুটি জেলাতে এখনো পর্যন্ত যথাক্রমে ৬০৭ ও ৬২৩ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে মুর্শিদাবাদ এখন ঘাটতি জেলার তালিকায় আছে। মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া  দুটি জেলাতে এবার বৃষ্টি কম হয়েছে। এই জেলা দুটি বেশিরভাগ সময় ঘাটতি তালিকার মধ্যে রয়েছে।  মাঝে মাঝে তা স্বাভাবিকের আওতায় চলে এসেছে। গত দুটি নিম্নচাপের কোনো প্রভাব মুর্শিদাবাদ ও নদীয়াতে পড়েনি। দক্ষিণবঙ্গে নদীয়াতে সবথেকে কম ৫২৭ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। এটা গড়ের থেকে ১৯ শতাংশ কম। মুর্শিদাবাদে ৫২৯ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। যা গড়ের থেকে ২১ শতাংশ কম। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে বর্ষার বৃষ্টি তুলনামূলকভাবে কম হয়। তাই এখানে দীর্ঘকালীন গড় বৃষ্টিপাতও কম। উত্তরবঙ্গে মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর জেলাও ঘাটতির তালিকার মধ্যে রয়েছে। মালদহে ৫৮১ মিমি ও উত্তর দিনাজপুরে ৭৪১ মিমি বর্ষার বৃষ্টি এই পর্যন্ত হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কয়েকটি জেলাতে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও চাষবাসে তা খুব একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে তাঁরা আশা করছেন। এদিকে গভীর নিম্নচাপটি ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে বিহার হয়ে  উত্তর প্রদেশের দিকে সরেছে। নিম্নচাপটি দুর্বল হতে শুরু করেছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, দামোদর অববাহিকা এলাকার বাইরে ঝাড়খণ্ডে এর প্রভাবে বৃষ্টি বেশি হয়েছে। এটা ইতিবাচক হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের পক্ষে। দামোদর অববাহিকাতে অধিক বৃষ্টি হলে ডিভিসির মাইথন-পাঞ্চেত থেকে বেশি জল ছাড়তে হল। এতে দক্ষিণবঙ্গের বিপদ হত। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমবে। কয়েকদিন পর মৌসুমি বায়ু দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হতে পারে। তখন বৃষ্টিপাত বাড়বে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ