Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সরকারি অনুদানে কালনার প্রাচীন জয়দুর্গা বাড়ির পুজোর আয়োজন

কালনা শহরে ২৫০ বছরের প্রাচীন জয়দুর্গা বাড়ির পুজো টাকার অভাবে বন্ধ হতে বসেছিল।

সরকারি অনুদানে কালনার প্রাচীন জয়দুর্গা বাড়ির পুজোর আয়োজন
  • ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কালনা: কালনা শহরে ২৫০ বছরের প্রাচীন জয়দুর্গা বাড়ির পুজো টাকার অভাবে বন্ধ হতে বসেছিল। ‘বর্তমান পত্রিকা’র খবরের জেরে সরকারি অনুদান পেয়ে অবশেষে এই পুজো চালু রাখা সম্ভব হল। এবার স্থানীয় মহিলারাই কমিটি গড়ে ওই পুজো আয়োজন করছেন। শুক্রবার পুজো কমিটিকে সরকারি অনুদানের ১লক্ষ ১০হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। আয়োজকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জোরকদমে পুজোর প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন।

Advertisement

কালনা শহরের পাথুরিয়া মহল এলাকায় ২৫০বছর আগে নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রামধন মুখোপাধ্যায় দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন। রামধনবাবুর কোনও কন্যাসন্তান ছিল না। তাই তিনি দেবীকে কন্যারূপে পুজো করতেন। এই পুজোয় কার্তিক-গণেশ থাকে না। বিসর্জনের প্রথাও নেই। মুখোপাধ্যায় পরিবার স্থায়ী মন্দিরেই নিত্যপুজো ও বাৎসরিক আরাধনা চালিয়ে আসছিল। কিন্তু, আর্থিক সমস্যার কারণে তারা এবার পুজো না করার সিদ্ধান্ত নেয়। একথা শুনে এলাকার মহিলারা এগিয়ে আসেন। তাঁরা পুজো কমিটি গড়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে আর্থিক অনুদানের আবেদন জানান। এবিষয়ে ‘বর্তমান’-এ খবর প্রকাশিত হলে প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। শুক্রবার পুজো কমিটির মহিলারা অনুদানের চেক হাতে পান। জয়দুর্গাবাড়ির সদস্য অমিত মুখোপাধ্যায়, সুমিত মুখোপাধ্যায় বলেন, পরিবারের সদস্যদের টাকাতেই ২৫০ বছর ধরে পুজো হয়ে আসছিল। এবার আর্থিক সমস্যায় পুজো চালানো মুশকিল হয়ে পড়ে। স্থানীয় মহিলারা পুজো টিকিয়ে রাখতে এগিয়ে আসেন। সরকারি অনুদানের জন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।
স্থানীয় বধূ রমা রুদ্র, পুষ্প চৌধুরী, সুস্মিতা চন্দ, সোমা চৌধুরী বলেন, বিয়ে হয়ে এলাকায় আসার পর থেকেই জয়দুর্গা বাড়িতে পুজোয় অংশ নিচ্ছি। পুজোয় অঞ্জলি দিই। সেই জন্য পুজো  চালু রাখতে আমরা এগিয়ে আসি। মুখ্যমন্ত্রী সরকারি অনুদানের আবেদন মঞ্জুর করায় আমরা কৃতজ্ঞ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ