সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের জেরে রাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও গভীর নিম্নচাপ ও পূর্ণিমার কোটালের জেরে নদী ও সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নামখানা সহ উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন থানার পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে সতর্ক করতে মাইক প্রচার শুরু হয়েছে। মৎস্যজীবীদেরও সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া সব মৎস্যজীবীকে নিরাপদ স্থানে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সাগর ও নামখানা সহ উপকূলীয় এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে মাঠে ধানগাছে শিস গজিয়েছে। বহু জমিতে আবার ধানে পাক ধরেছে। এই পরিস্থিতিতে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া হলে ধান গাছের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। এ বিষয়ে কাকদ্বীপের ধান চাষি রতন মাইতি বলেন, ‘আগামী তিন সপ্তাহ পর থেকে ধান কাটার কাজ শুরু হবে। এই সময় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া হলে গাছের ক্ষতি হাতে পারে। খুব চিন্তায় আছি।’
ব্লকের কৃষি আধিকারিক ডঃ মিলন রায় বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ধান চাষিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাতে জমিতে বৃষ্টির জল না দাঁড়ায়, তারজন্য চাষিদের নিকাশি ব্যবস্থার দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। পেকে যাওয়া ধান কেটে নিরাপদ স্থানে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ফুল ধরেছে, বড়ো বড়ো ধান গাছগুলিকে দড়ি অথবা বাঁশ দিয়ে বেঁধে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাতে ওই গাছগুলি ঝড়ে পড়ে না যায়।’



