নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মধ্যমগ্রামের একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম বিশাল খাঁ (১৯) ও বীরজ্যোতি খাঁ (১৭)। সোমবার দুপুরে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশাল মারা যান। মঙ্গলবার সকালে কলকাতার মল্লিকবাজারের এক বেসরকারি হাসপাতালে মারা যায় বীরজ্যোতি। কুয়াশার কারণে কম দৃশ্যমানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে পুলিসের অনুমান।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশালের দেহ মধ্যমগ্রামে মাতৃসদনের পিস হাভেনে রাখা হয়েছে। আজ, বুধবার বীরজ্যোতির দেহ এলে একসঙ্গে দুই ভাইয়ের সৎকার হবে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রাম পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পানিয়াড়ার বাসিন্দা মানিক খাঁ। তাঁর ছোট একটি স্বর্ণবিপণী রয়েছে। তাঁর তিন ছেলে বিকি খাঁ, বিশাল খাঁ ও বীরজ্যোতি খাঁ। বিলকান্দা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ডঘর এলাকায় মানিকবাবুর ভাগ্নে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকেন। বিশাল ও বীরজ্যোতি রবিবার রাতে পিসতুতো দাদার কাছে গিয়েছিল। সেখানে খাওয়া দাওয়ার পর অনেক রাত পর্যন্ত তারা গল্পগুজব করে। এরপর ভোর রাতে দুই ভাই বাইকে করে সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোড ধরে বাড়ি ফিরছিল। তালবান্দা এপিসি কলেজ লাগোয়া এলাকায় কোনও গাড়ির ধাক্কায় তারা রাস্তায় ছিটকে পড়ে। পরে নিউ বারাকপুর থানার টহলদারি ভ্যান দুই ভাইকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে দু’জনকেই সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুপুরে বিশালের মৃত্যু হয়। এরপর বীরজ্যোতিকে কলকাতার ওই বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার সকালেই তাঁর মৃত্যু হয়। একই বাড়ির দুই ছেলের মৃত্যুতে খাঁ পরিবারে কান্নার রোল উঠেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় কোনও গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগেছিল ওই বাইকের।
অন্যদিকে, গভীর রাতে বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতের নাম সুব্রত দাস (৩৬)। বাড়ি কসবা থানা এলাকায়। পুলিস সূত্রে খবর, সোমবার রাতে সুব্রত ও তাঁর পরিচিত তিন যুবক কলকাতা থেকে বারুইপুর যাচ্ছিলেন। কামালগাজি বাইপাস ধরে যাওয়ার সময় চৌহাটির কাছে একটি বাঁক রয়েছে। গাড়ি ঘোরানোর সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ধাক্কা মারেন ইলেকট্রিক পোস্টে। তারপর গাড়িটি রাস্তার পাশেই একটি গর্তে পড়ে যায়। সুব্রত বসেছিলেন চালকের ঠিক পাশেই। এই দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আঘাত লাগে তাঁর। খবর পেয়ে সোনারপুর থানার পুলিস চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই মৃত্যু হয় সুব্রতর।
অন্যদিকে, গভীর রাতে বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতের নাম সুব্রত দাস (৩৬)। বাড়ি কসবা থানা এলাকায়। পুলিস সূত্রে খবর, সোমবার রাতে সুব্রত ও তাঁর পরিচিত তিন যুবক কলকাতা থেকে বারুইপুর যাচ্ছিলেন। কামালগাজি বাইপাস ধরে যাওয়ার সময় চৌহাটির কাছে একটি বাঁক রয়েছে। গাড়ি ঘোরানোর সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ধাক্কা মারেন ইলেকট্রিক পোস্টে। তারপর গাড়িটি রাস্তার পাশেই একটি গর্তে পড়ে যায়। সুব্রত বসেছিলেন চালকের ঠিক পাশেই। এই দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আঘাত লাগে তাঁর। খবর পেয়ে সোনারপুর থানার পুলিস চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই মৃত্যু হয় সুব্রতর।



